সরকারি পোর্টালে নিয়ম মেনে আবেদন করা হয়েছিল। তবু বাড়ি বাড়ি সমীক্ষা করতে এলেন না দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মীরা (এনুমারেটর)। মৌজার সীমানাবিভ্রাটের জেরে জনগণনার তালিকা থেকেই বাদ পড়ে গেল মালদহের চাঁচল ২ ব্লকের হরো হাজরার কালোবাংরা গ্রামের প্রায় ২৫টি পরিবার।
প্রথম পর্যায়ের গণনা শেষ হয়ে যাওয়ার পর নিজেদের নাগরিক অধিকার নিয়ে দুশ্চিন্তায় পড়েছেন ওই গ্রামবাসীরা। দ্রুত সমীক্ষা করে তালিকায় নাম তোলার দাবিতে মহকুমা শাসক (এসডিও) এবং বিডিও-র কাছে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন তাঁরা।
আরও পড়ুন:
সমস্যাটা ঠিক কোথায়? স্থানীয় ও প্রশাসনিক সূত্রে জানা গিয়েছে, চাঁচল ২ ব্লকের ওই পরিবারগুলির বাড়ি মূলত তিনটি মৌজায় ছড়িয়ে ছিটিয়ে রয়েছে। এর মধ্যে মহম্মদপুর মৌজায় ১১টি, গোরখপুরে ৭টি এবং ভাকরি মৌজায় রয়েছে ৪টি পরিবার। গ্রামবাসীদের অভিযোগ, মৌজার সীমানাবিভ্রাটের কারণেই চরম দায়িত্বজ্ঞানহীনতার পরিচয় দিয়েছেন গণনাকর্মীরা। তিনটি পৃথক মৌজার দায়িত্বপ্রাপ্ত এনুমারেটররা সমীক্ষা না করে কেবল একে অপরের দিকে দায় ঠেলে গিয়েছেন। ফলে ওই পরিবারগুলির কাছে গিয়ে কোনও কর্মী তথ্য যাচাই করেননি।
জনগণনার মতো একটি গুরুত্বপূর্ণ জাতীয় পরিকাঠামো থেকে গ্রামের একাংশের বাদ পড়ার এই ঘটনায় ইতিমধ্যেই প্রশাসনিক মহলে ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। বিষয়টি নিয়ে কড়া প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন মালদহ উত্তরের বিজেপি সাংসদ খগেন মুর্মু। তিনি বলেন, “ওই পরিবারগুলির সমীক্ষা কেন হল না, তা আমি সংশ্লিষ্ট ব্লকের বিডিও-কে খতিয়ে দেখতে বলব। যদি কোনও গণনাকর্মীর গাফিলতি বা দায়িত্বহীনতার কারণে এই ঘটনা ঘটে থাকে, তবে তাঁর বিরুদ্ধে নিশ্চিত ভাবে কড়া ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”