নিজে ছাত্র-যুব আন্দোলন থেকে উঠে এসেছেন। শুক্রবার তৃণমূল ছাত্র পরিষদের প্রতিষ্ঠা দিবসের মুখে, রাজ্যে কোণঠাসা পরিস্থিতিতে দলের মূল স্রোতে ছাত্রদেরই ফিরিয়ে আনতে চাইছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর সিদ্ধান্ত, দলের ছাত্র-যুব এবং তথ্য ও প্রযুক্তি শাখা থেকে বাছাই করা ছ’জন তৃণমূলের মুখপাত্র হিসেবে নিযুক্ত হবেন আগামী সোমবার। আজ দলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ডেরেক ও’ব্রায়েন এ কথা জানিয়েছেন।
যন্তর মন্তরের আন্দোলনে উজ্জীবিত মমতার দল। দলের ছ’জন সাংসদ নিয়মিত যোগাযোগ রেখেছেন সিজেপি-র সঙ্গে। তৃণমূলের দাবি, তাঁরাই ২০ জুলাই অনশন ভঙ্গের গরিমাময় পদ্ধতি হিসেবে সোনম ওয়াংচুককে হুইলচেয়ারে বসিয়ে সংসদ চলোর পরামর্শ দিয়েছিলেন। ডেরেকের বক্তব্য, ‘‘বিরোধীরা সবাই টিম গেম খেলছি, এ ব্যাপারে কোনও সন্দেহ নেই। কিন্তু ২২ জুলাই যদি আমাদের রাজ্যসভার প্রাক্তন সাংসদ সাকেত গোখলে পুলিশের ছররা গুলি চালানোর তথ্য জানতে চেয়ে আরটিআই না করতেন, রাহুল গান্ধীরা এফআইআর করাতে পারতেন না।’’
আপাতত এনসিপিআই-এর বিরুদ্ধে সুপ্রিম কোর্ট এবং স্পিকার অফিসের নোটিসের পর দল বিষয়টিকে নিয়ে পুরোদমে মাঠে নামতে চলেছে। আপাতত স্থির হয়েছে ডেরেক নিজে, সাগরিকা ঘোষ, মহুয়া মৈত্র, কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়রা নিয়মিত সংবাদমাধ্যমে প্রচার চালিয়ে যাবেন।
পাশাপাশি সিদ্ধান্ত হয়েছে, প্রতি সপ্তাহে তৃণমূল নেত্রী একটি করে লাইভ করবেন। সম্প্রতি একটি ফেসবুক লাইভে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় অন্নপূর্ণা যোজনা-সহ বিভিন্ন পরিকল্পনা নিয়ে তীব্র সমালোচনা করেন। এর পর মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে উদ্দেশ করে বলেন, ‘‘ফেসবুকেই থাকুন। রাস্তায় যাতে বেরোতে না পারেন, তার ব্যবস্থাও করব।’’ তৃণমূলের দাবি, এই লাইভটির দর্শক সংখ্যা অতীতের সংখ্যাকে ছাপিয়ে গিয়েছে।