E-Paper
এই প্রতিবেদনটি প্রথমে আনন্দবাজার পত্রিকার মুদ্রিত সংস্করণে প্রকাশিত হয়েছে

সোমবার দিল্লি যাবেন মমতা

রাজ্যে হেরে এবং সিংহভাগ সাংসদ ও বিধায়ককে খুইয়ে মমতাও এখন কোণঠাসা। ’২৯ সালের লোকসভা ভোটের আগে ফিরে আসার জন্য তিনিও প্রাণপণে চেষ্টা করছেন। সেই প্রেক্ষাপটে তাঁরও বিক্ষোভে যোগ দেওয়া যথেষ্ট তাৎপর্যপূর্ণ।

নিজস্ব সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ২৫ জুলাই ২০২৬ ০৭:৩৪
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। — ফাইল চিত্র।

একুশে জুলাইয়ের মঞ্চ থেকেই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় জানান, যন্তর মন্তরে ছাত্র আন্দোলনে যোগ দেবেন। আজ দলজানায়, সোমবার, দিনের বেলাতেই সিজেপি-র ধর্নামঞ্চে যাবেন মমতা।তার আগেই যদি বিক্ষোভকারীদের দাবি মেনে নিয়ে সরকার কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানকে পদ থেকে সরিয়ে দেয়, তা হলে এই বিক্ষোভ সোমবার পর্যন্ত না-ও চলতে পারে। সে ক্ষেত্রে কী সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে, তা স্পষ্ট করেনি দল।

আজ সন্ধ্যাবেলা মমতা এক্স-এ লেখেন, ‘শুরু থেকেই আমি শিক্ষার্থী ও তাদের আন্দোলনের পাশে দৃঢ় ভাবে দাঁড়িয়েছি। তাদের এই লড়াই কেবল নিট কেলেঙ্কারিতে ন্যায়বিচার পাওয়ার জন্য নয়— এটি ভারতের প্রতিটি তরুণ-তরুণীর ভবিষ্যৎ রক্ষার লড়াই।... কেবল জবাব চাওয়ার অপরাধে শিক্ষার্থীদের ওপর চালানো হয়েছে অমানবিক মারধর ও লাঠিচার্জ; তাদের লক্ষ্য করে ছোঁড়া হয়েছে পেলেট গান ও কাঁদানে গ্যাস।... ভারতের প্রতিটি তরুণ-তরুণীর অদম্য মনোবল, অবিচল সাহস এবং লাঠিচার্জ, ভয়ভীতি কিংবা রাষ্ট্রীয় ক্ষমতার অপব্যবহারের কাছে মাথা নত না করার মানসিকতাকে আমি কুর্নিশ জানাই।’

আজ দলের রাজ্যসভার নেতা ডেরেক ও’ব্রায়েনও বলেন, “সংসদ অধিবেশন শুরু হওয়ার আগেই সিজেপির আন্দোলনস্থলে আমাদের সাংসদরা গিয়েছেন। কথা হয়েছে সোনম এবং অন্যদের অনশন ভঙ্গ নিয়ে।” তিনি আজ জানান, “পুলিশের হামলার প্রায় দু’হাজারটি ভিডিয়ো সংগ্রহ করা হয়েছে দলের তরফ থেকে, যা সিজেপি-কে দিয়ে দেওয়া হয়েছে সমাজমাধ্যমে প্রচারের জন্য।”

রাজনৈতিক শিবিরের বক্তব্য, যত দিন যাচ্ছে ততই স্পষ্ট হচ্ছে, বিক্ষোভের এই ভাষ্যের সিংহভাগ দখল করেছেন সমাজের বিভিন্ন স্তরের মানুষ, কংগ্রেস এবং অবশ্যই ভোটের মুখে দাঁড়ানো এসপি। আপ-ও ময়দানে রয়েছে পঞ্জাবের ভোটের দিকে তাকিয়ে। সব মিলিয়ে, বিরোধী দলগুলি বিদ্রোহের আগুনে যে যার রুটি সেঁকার চেষ্টায় রয়েছে। রাজ্যে হেরে এবং সিংহভাগ সাংসদ ও বিধায়ককে খুইয়ে মমতাও এখন কোণঠাসা। ’২৯ সালের লোকসভা ভোটের আগে ফিরে আসার জন্য তিনিও প্রাণপণে চেষ্টা করছেন। সেই প্রেক্ষাপটে তাঁরও বিক্ষোভে যোগ দেওয়া যথেষ্ট তাৎপর্যপূর্ণ।

এই প্রতিবেদনটি প্রথমে আনন্দবাজার পত্রিকার মুদ্রিত সংস্করণে প্রকাশিত হয়েছে
Cockroach Janata Party Jantar Mantar

সঠিক খবর পেতে গুগ্‌লে বেছে নিন আনন্দবাজার ডট কম

ফলো করুন আমাদের মাধ্যমগুলি

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy