প্রত্যেক স্বয়ংসেবককে বছরে এক জন করে স্বয়ংসেবক তৈরি করতে হবে, বর্ধমানের বৈঠকে পরামর্শ দিয়েছেন রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সঙ্ঘের (আরএসএস) প্রধান মোহন ভাগবত। সঙ্ঘ সূত্রে জানা গিয়েছে, রাজ্যের তিনটি ‘প্রান্ত’-এর নানা বিভাগের কর্তাদের নিয়ে বৈঠকে সমন্বয়ের বার্তা ও সংগঠন পুনর্গঠন নিয়ে আলোচনা হয়েছে। কাজের ধারা, কার কতটা এক্তিয়ার, সে সব নিয়েও বার্তা দিয়েছেন। শনিবার সকালে বর্ধমান ছাড়েন ভাগবত।
বর্ধমানে সঙ্ঘের মধ্যবঙ্গ প্রান্ত কার্যালয়ে বৃহস্পতিবার এসেছিলেন ভাগবত। সে দিন তিনি দুই বর্ধমানের হাজারের বেশি শাখা-সঙ্ঘ চালকদের সঙ্গে আলোচনা করেন। সূত্রের দাবি, সেখানে শাখায় দৈনিক যাওয়ার মতো নানা নির্দেশ দেন। প্রতি স্বয়ংসেবককে প্রতি বছর এক জন নতুন স্বয়ংসেবক তৈরির বার্তা দেন।
মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী বৃহস্পতিবার রাতে ভাগবতের সঙ্গে দেখা করেন। শুক্রবার সঙ্ঘ-প্রধান উত্তরবঙ্গ, দক্ষিণবঙ্গ ও মধ্যবঙ্গের বিভাগীয় স্তরের প্রায় দেড়শো জনের সঙ্গে বৈঠক করেন। সূত্রের দাবি, সেখানে জানানো হয়, রাজ্য জুড়ে শাখা-সঙ্ঘের সংখ্যা বাড়ছে। তাই সাংগঠনিক কাঠামোর পরিবর্তন প্রয়োজন। প্রান্তগুলি ভেঙে সাংগঠনিক ভাগ (আরএসএসের পরিভাষায় ‘সম্ভাগ’) হতে চলেছে। বৈঠকের পরে আরএসএসের অনেকের অনুমান, বিভাগ ছোট করে ‘সম্ভাগ’ বাড়ানো হতে পারে। আরএসএসের এক কর্তার কথায়, “বিজয়া দশমীতে সঙ্ঘ-প্রধান প্রকাশ্যে বক্তব্য রাখেন। সে দিন সাংগঠনিক পরিকাঠামো বদলের ইঙ্গিত মিলতে পারে। তবে এ রাজ্যে সংগঠন বাড়ছে। তাই এখানে কাঠামো বদলে দেরি হতে পারে।”