E-Paper
এই প্রতিবেদনটি প্রথমে আনন্দবাজার পত্রিকার মুদ্রিত সংস্করণে প্রকাশিত হয়েছে

ইউসিসি বিল খতিয়ে দেখতে ৯ সদস্যের কমিটি গঠন

রাজ্য সরকার ‘দ্য ইউনিফর্ম সিভিল কোড, ওয়েস্ট বেঙ্গল ২০২৬’ নামে খসড়া বিলটি প্রস্তুত করেছে। উদ্দেশ্য, পশ্চিমবঙ্গে বসবাসকারী সব ধর্ম-বর্ণেরমানুষের জন্য বিবাহ, বিবাহ বিচ্ছেদ, সম্পত্তির উত্তরাধিকার ইত্যাদি বিষয়গুলিতে অভিন্ন একটি আইনি ব্যবস্থা চালু করা।

নিজস্ব সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ১২ জুলাই ২০২৬ ০৭:৪৫

—প্রতীকী চিত্র।

পূর্ব সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ‘ইউনিফর্ম সিভিল কোড’ (ইউসিসি) কার্যকর করার আগে অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি রঞ্জনা প্রকাশ দেশাইয়ের নেতৃত্বে নয় সদস্যের কমিটি গঠন করল রাজ‍্য সরকার। এই কমিটি ইউসিসি বিলটি খতিয়ে দেখে সরকারকে রিপোর্ট দেবে। তার পরেই বিলটি বিধানসভায় পেশ করবে নবান্ন।

ইতিমধ্যেই রাজ্য সরকার ‘দ্য ইউনিফর্ম সিভিল কোড, ওয়েস্ট বেঙ্গল ২০২৬’ নামে খসড়া বিলটি প্রস্তুত করেছে। উদ্দেশ্য, পশ্চিমবঙ্গে বসবাসকারী সব ধর্ম-বর্ণেরমানুষের জন্য বিবাহ, বিবাহ বিচ্ছেদ, সম্পত্তির উত্তরাধিকার ইত্যাদি বিষয়গুলিতে অভিন্ন একটি আইনি ব্যবস্থা চালু করা। খসড়া বিলটি খতিয়ে দেখা সংক্রান্ত কমিটিতে অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি রঞ্জনা প্রকাশ দেশাই ছাড়াও প্রাক্তন রাজ্যপাল হিসাবে রয়েছেন তথাগত রায়, অবসরপ্রাপ্ত অধ‍্যপাক রত্না ভট্টাচার্য, গৌড় বঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাক্তন উপাচার্য গোপাল চন্দ্র মিশ্র, সদস্য হিসাবে থাকছেন কলকাতা হাইকোর্টের আইনজীবী ওসমান গনি মল্লিক এবং নির্মাল‍্য ভট্টাচার্য। আমলাদের মধ্যে সদস্য হিসাবে রাখা হয়েছে প্রাক্তন মুখ্যসচিব তথা দিল্লিতে রাজ্যের রেসিডেন্ট কমিশনার দুষ্মন্ত নারিয়ালাকে।

অবসরপ্রাপ্ত আইএএস অফিসার শত্রুঘ্ন সিংহকে সদস্য এবং সিনিয়র উপদেষ্টা করা হয়েছে। রাজ্যের স্বরাষ্ট্রসচিব সংঘমিত্রা ঘোষ থাকছেন সদস্য এবং আহ্বায়ক হিসাবে। প্রসঙ্গত, আগেই মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী জানিয়েছিলেন, উত্তরাখণ্ড, গুজরাত, অসমে যে পদ্ধতিতে ইউসিসি কার্যকর করা হয়েছে, সে ভাবেই এ রাজ্যে তা করা হবে নির্দিষ্ট পদ্ধতি মেনে। দিনকয়েক আগেই দিল্লিতে গিয়ে বিচারপতি দেশাইয়ের সঙ্গে আলোচনা সেরে এসেছিলেন মুখ্যসচিব মনোজ আগরওয়ালও।

বস্তুত, বিধানসভার গত অধিবেশনেই রাজ্য জানিয়েছিল, এই সংক্রান্ত বিষয়ে গঠিত কমিটি চার সপ্তাহের মধ্যে রিপোর্ট দেবে। সব ঠিক থাকলে আগামী অগস্টে বিধানসভায় ইউসিসি বিলটি পেশ করার লক্ষ্য রেখেছে বিজেপি সরকার।

গত অধিবেশনেই বিরোধীদের উদ্দেশে সরকার জানিয়েছিল, তাঁদের কোনও অভিযোগ বা বক্তব্য থাকলে তাঁরা বিচারপতি দেশাই-কমিটিরকাছে লিখিত ভাবে তা জানাতে পারেন। অবশ্য সে সময়ে সরকার জানিয়েছিল, রাজ্যের আদিবাসী, কুর্মি এবং অন্যান্য স্বীকৃত প্রাচীন জনজাতি সম্প্রদায়কে দেওয়ানি বিধির বাইরে রাখা হবে।

এই প্রতিবেদনটি প্রথমে আনন্দবাজার পত্রিকার মুদ্রিত সংস্করণে প্রকাশিত হয়েছে
UCC

সঠিক খবর পেতে গুগ্‌লে বেছে নিন আনন্দবাজার ডট কম

ফলো করুন আমাদের মাধ্যমগুলি

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy