E-Paper
এই প্রতিবেদনটি প্রথমে আনন্দবাজার পত্রিকার মুদ্রিত সংস্করণে প্রকাশিত হয়েছে

কালীপুজো কমিটির শীর্ষে শাসক, বিরোধীও

বিজেপির যুব মোর্চার জলপাইগুড়ি জেলা সভাপতি পলেন ঘোষ শহরের বিগ বাজেটের দু’টি কালী পুজো কমিটির শীর্ষে রয়েছেন।

নিজস্ব সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ০২ নভেম্বর ২০২৬ ০৮:৩৭
জলপাইগুড়ির যুব ঐক্য ক্লাবের কালীপুজোর মণ্ডপ।

জলপাইগুড়ির যুব ঐক্য ক্লাবের কালীপুজোর মণ্ডপ। নিজস্ব চিত্র।

শহরের কয়েকটি কালীপুজো কমিটির শীর্ষে রয়েছেন বিজেপির নেতাদের একটা বড় অংশও। কারও নাম আবার একাধিক পুজো কমিটিতে রয়েছে। দলের রাজ্য স্তরের এক নেতার স্ত্রী, মেয়ের নামও রয়েছে একটি বিগ বাজেটের কালীপুজো কমিটিতে। দলীয় বিধায়ক ও সাংসদের নাম রয়েছে জেলার কয়েকটি পুজো কমিটিতে। যদিও দলের শীর্ষ নেতৃত্বের দাবি, সরাসরি দলের কোনও পদাধিকারী পুজো কমিটির সঙ্গে যুক্ত নন। পিছিয়ে নেই তৃণমূলের নেতারাও।

বিজেপির যুব মোর্চার জলপাইগুড়ি জেলা সভাপতি পলেন ঘোষ শহরের বিগ বাজেটের দু’টি কালী পুজো কমিটির শীর্ষে রয়েছেন। শহরের প্রাণকেন্দ্রের চৈতালী পুজো কমিটির সম্পাদক, আদরপাড়া ত্রিনয়নী পুজো কমিটির সভাপতি তিনি। পলেন বলেন, ‘‘সেই অর্থে আমার নিজস্ব কোনও পুজো নেই। আমার পাড়ার ত্রিনয়নী ক্লাবের সভাপতি পদে রয়েছি। চৈতালী পুজো কমিটির সম্পাদক হিসেবে আমাকে মনোনীতকরা হয়েছে।’’

বিজেপির রাজ্য সম্পাদক বিজন (বাপি) গোস্বামীর দাবি, সরাসরি কোনও পুজো কমিটির সঙ্গে তিনি যুক্ত নন। তবে বাপি নিজে পুজো কমিটিতে না থাকলেও তাঁর স্ত্রী তমালী সরকার গোস্বামী মোহিতনগর মৈত্রী সঙ্ঘের পুজো কমিটির কোষাধ্যক্ষের দায়িত্বে রয়েছেন। তাঁর মেয়ে অদ্বিতীয়াও ওই পুজো কমিটির সক্রিয় সদস্যা। এ বছরে বিগ বাজেটের কালীপুজো করতে উদ্যোগী হয়েছেন মৈত্রী সঙ্ঘের সদস্যরা। বাপি বলেন, ‘‘আমার স্ত্রী ও মেয়ে পাড়ার অন্যদের সঙ্গেই পুজো পরিচালনার দায়িত্ব পালন করছেন। জেলার অনেক দুর্গাপুজো ও কালীপুজো কমিটি আমন্ত্রণ জানালেও সরাসরি কোনও কমিটির সঙ্গে যুক্ত হইনি। দলের জনপ্রতিনিধিরা বিভিন্ন পুজো কমিটির আমন্ত্রণে অবশ্যই সাড়া দেবেন।’’ দলের জলপাইগুড়ি জেলা সভাপতি শ্যামল রায় বলেন, ‘‘সাধারণ দর্শনার্থী হিসেবে সব পুজো মণ্ডপেই যাব। কোনও পুজো কমিটিতে আমার নাম খুঁজে পাবেন না।’’

এ দিকে, জলপাইগুড়ি পুরসভার প্রাক্তন চেয়ারম্যান তথা তৃণমূল নেতা সৈকত চট্টোপাধ্যায়ের যুব ঐক্যের কালীপুজোর বাজেট এ বার অন্তত ৩২ লক্ষ টাকা। দীর্ঘ দিন ধরে এই পুজো কমিটির সভাপতির দায়িত্ব পালন করে চলেছেন সৈকত। তিনি বলেন, ‘‘বড় মণ্ডপ তৈরি করা হবে।’’ শহরের আরও একটি বিগ বাজেটের পুজো উদয় সঙ্ঘের কমিটিরসভাপতিও সৈকত।

মমতা-পন্থী তৃণমূল নেতা বলে পরিচিত তপন বন্দ্যোপাধ্যায়ের দাদাভাই ক্লাবের কালীপুজোও শহরের অন্যতম আকর্ষণীয় পুজো বলে পরিচিত। তিনি বলেন, ‘‘আমাদের ক্লাবের পুজোর সঙ্গে রাজনীতির সম্পর্ক নেই। দলমত নির্বিশেষে সকলকে সঙ্গে নিয়েই পুজো পরিচালনা করা হয়ে থাকে।’’

এই প্রতিবেদনটি প্রথমে আনন্দবাজার পত্রিকার মুদ্রিত সংস্করণে প্রকাশিত হয়েছে
Jalpaiguri

সঠিক খবর পেতে গুগ্‌লে বেছে নিন আনন্দবাজার ডট কম

ফলো করুন আমাদের মাধ্যমগুলি

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy