E-Paper
এই প্রতিবেদনটি প্রথমে আনন্দবাজার পত্রিকার মুদ্রিত সংস্করণে প্রকাশিত হয়েছে

আইআরবি ব্যাটালিয়ন বৃদ্ধিতে প্রস্তাব পুলিশের

বর্তমানে দুর্গাপুর এবং শিলিগুড়িতে রাজ্য সশস্ত্র পুলিশের অধীনে একটি করে মোট দু’টি আইআরবি ব্যাটালিয়ন আছে। সূত্রের খবর, নতুন ব্যাটালিয়নগুলি তৈরি হলে সেগুলিকে যথাক্রমে আলিপুরদুয়ার, মালদহ, মুর্শিদাবাদ, হুগলি এবং ডায়মন্ড হারবারে মোতায়েন করা হবে।

শিবাজী দে সরকার

শেষ আপডেট: ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ০৯:৪১

—প্রতিনিধিত্বমূলক চিত্র।

আইনশৃঙ্খলা রক্ষা, প্রাকৃতিক দুর্যোগ-সহ নানা জরুরি পরিস্থিতির মোকাবিলায় রাজ্যে ইন্ডিয়া রিজ়ার্ভ ব্যাটালিয়নের (আইআরবি) সংখ্যা বাড়ানোর পরিকল্পনা করেছেন রাজ্য পুলিশের কর্তারা। প্রশাসন সূত্রের খবর, আপাতত আইআরবি-র পাঁচটি নতুন ব্যাটালিয়ন তৈরির প্রস্তাব নবান্নে জমা পড়েছে। জেলা পুলিশের উপরে চাপ কমাতেই এই সিদ্ধান্ত। কোনও আপৎকালীন পরিস্থিতিতে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে মোকাবিলা করার উপযোগী করে তোলা হবে ওই নতুন ব্যাটালিয়নগুলিকে।

প্রসঙ্গত, বর্তমানে দুর্গাপুর এবং শিলিগুড়িতে রাজ্য সশস্ত্র পুলিশের অধীনে একটি করে মোট দু’টি আইআরবি ব্যাটালিয়ন আছে। সূত্রের খবর, নতুন ব্যাটালিয়নগুলি তৈরি হলে সেগুলিকে যথাক্রমে আলিপুরদুয়ার, মালদহ, মুর্শিদাবাদ, হুগলি এবং ডায়মন্ড হারবারে মোতায়েন করা হবে।

পুলিশ সূত্রের খবর, আইনশৃঙ্খলা রক্ষা, বিপুল জনসমাবেশের নিরাপত্তা, দুর্যোগ মোকাবিলার পাশাপাশি বিভিন্ন নির্বাচনেও এদের ব্যবহার করা হবে।

উল্লেখ্য, রাজ্য সশস্ত্র পুলিশ এবং কেন্দ্রীয় আধা সামরিক বাহিনীর উপর থেকে চাপ কমাতে ১৯৭১ সালে কেন্দ্র ইন্ডিয়া রিজ়ার্ভ ব্যাটালিয়ন তৈরি করে এবং তা বিভিন্ন রাজ্য পুলিশের অধীনে পাঠায়। এর আগে মাওবাদী দমন অভিযানে জঙ্গলমহলে এদের ব্যবহার করা হয়েছে। ২০১১ সালে ঝুঁকিপূূর্ণ পোস্টিং এবং উচ্চ কর্তাদের ব্যবহার নিয়ে আইআরবি জওয়ানদের অসন্তোষও সামনে এসেছিল।

সূত্রের খবর, গত কয়েক বছরে জেলা এবং পুলিশ জেলা বাড়লে রাজ্যের সব জেলায় সশস্ত্র পুলিশের ব্যাটালিয়ন নেই। তার ফলে অনেক সময়েই এক জেলার আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় অন্য জেলা থেকে বাহিনী পাঠাতে হয়। নতুন পাঁচ জায়গায় আইআরবি মোতায়েন হলে পড়শি জেলাপুলিশের বদলে গোলমাল বা বিপদেআপদে তাদেরই পাঠানো হবে। তার ফলে অন্য জেলা পুলিশের উপরে কাজের ভার কমবে।

পুলিশের এক কর্তার বক্তব্য, ‘‘নতুন সরকারের আমলে পুলিশের দায়িত্ব বাড়ছে। তাই এই ধরনের প্রশিক্ষিত বাহিনী প্রয়োজন। এক-একটি ব্যাটালিয়ন যাতে একাধিক জেলায় কাজ করতে পারে, সে ভাবেই এদের ঘাঁটি তৈরিরপরিকল্পনা হয়েছে।’’

সূত্রের খবর, প্রতি ব্যাটালিয়নের দায়িত্বে এক জন করে কমান্ডান্ট থাকবেন। এ ছাড়াও, সহকারী কমান্ডান্ট, ইনস্পেক্টর পদের অফিসারেরা থাকবেন। তবে সব থেকে জোর দেওয়া হচ্ছে এএসআই এবং কনস্টেবল পদের কর্মীদের উপরে।

এই প্রতিবেদনটি প্রথমে আনন্দবাজার পত্রিকার মুদ্রিত সংস্করণে প্রকাশিত হয়েছে
Natural Disasters

সঠিক খবর পেতে গুগ্‌লে বেছে নিন আনন্দবাজার ডট কম

ফলো করুন আমাদের মাধ্যমগুলি

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy