E-Paper
এই প্রতিবেদনটি প্রথমে আনন্দবাজার পত্রিকার মুদ্রিত সংস্করণে প্রকাশিত হয়েছে

শিল্পের জন্য উৎসাহদান নীতি ফেরানোর পথ খুঁজছে নবান্ন

তৃণমূল সরকারের শেষ পাঁচ বছরের উৎসাহ নীতি প্রত্যাহার করে দাবি করা হয়, ওই টাকা অন্য অনুদান প্রকল্পে দেওয়া প্রয়োজন। তা নিয়ে সমালোচনার মুখে তখনকার সরকার জানিয়েছিল, নতুন নীতি আনা হবে। তা আর হয়নি।

চন্দ্রপ্রভ ভট্টাচার্য , অঙ্কুর সেনগুপ্ত

শেষ আপডেট: ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ০৭:৪৪

—প্রতীকী চিত্র।

প্রতিযোগিতা রয়েছে অনেকগুলি রাজ্যের সঙ্গেই। ফলে শিল্পের জন্য উৎসাহদান নীতি (ইনসেনটিভ পলিসি) তৈরির প্রক্রিয়া চলছে সময়ের চাহিদা মেনে। আনুমানিক ৫০ হাজার কোটি টাকা বকেয়ার ‘বোঝা’ ঘাড়ে নিয়েই সে পথে নবান্ন এগোচ্ছে বলে প্রশাসনিক সূত্রের খবর।

তৃণমূল সরকারের শেষ পাঁচ বছরের উৎসাহ নীতি প্রত্যাহার করে দাবি করা হয়, ওই টাকা অন্য অনুদান প্রকল্পে দেওয়া প্রয়োজন। তা নিয়ে সমালোচনার মুখে তখনকার সরকার জানিয়েছিল, নতুন নীতি আনা হবে। তা আর হয়নি। বিজেপি সরকার হিসাব কষে দেখেছে, বিগত সরকারের আমলে উৎসাহ নীতির আওতায় ১৮-২০ হাজার কোটি টাকা বকেয়া ছিল বিভিন্ন শিল্প সংস্থার। আবার অনেকে কারখানা তৈরির পথে এগোলেও, তাদের প্রাপ্য অর্থের হিসাব কষাই হয়নি। তা-ও প্রায় ৩০ হাজার কোটি টাকা হতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে। অনেকগুলি শিল্প সংস্থা সরকারের প্রতিশ্রুতি দেওয়া অর্থ না পেয়ে মামলার পথে হেঁটেছিল। এত পরিমাণ বকেয়া নতুন সরকারের পক্ষে দেওয়া এখনই অসম্ভব। তাই নতুন পথ বার করার চেষ্টায়রয়েছে নবান্ন।

প্রশাসনিক সূত্রের খবর, নতুন উৎসাহ নীতির আওতায় কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টিকে যুক্ত করা হতে পারে। অর্থাৎ, যে সংস্থা যত কর্মসংস্থান তৈরি করতে পারবে, তারা উৎসাহ নীতির আওতায় তত বেশি লাভবান হবে। গবেষণা এবং উন্নয়ন খাতেও উৎসাহ নীতির সুবিধা আনার চেষ্টা চলছে। অভিজ্ঞ কর্তাদের মতে, আধুনিক শিল্পের পৃথিবীতে জল, বিদ্যুৎ, পরিকাঠামো, প্রশাসনিক সহযোগিতার পাশাপাশি এই বিষয়গুলি খুব বেশি প্রাসঙ্গিক হয়ে উঠছে। ফলে জাতীয় এবং আন্তর্জাতিক স্তরে দেশের অন্য রাজ্যগুলির সঙ্গে শিল্প-বিনিয়োগ টানার প্রতিযোগিতায় পাল্লা দিতে এগুলির উপর বাড়তি জোরদিতে হবে।

অন্য দিকে, আগের উৎসাহ নীতির আওতায় থাকা বিপুল অঙ্কের বকেয়া অর্থ মেটানোর প্রশ্নে সম্প্রতি রাজ্যের অর্থমন্ত্রী স্বপন দাশগুপ্ত এক সভায় জানিয়েছিলেন, এই বিরাট বকেয়া ধাপে ধাপে মেটানোর কথা ভাবছে রাজ্য। বকেয়া পাওয়ার ক্ষেত্রে প্রথমে থাকবে রাজ্যের ছোট ও মাঝারি শিল্প সংস্থাগুলি। এই সংক্রান্ত মন্ত্রিগোষ্ঠীর প্রস্তাব রাজ্য মন্ত্রিসভার কাছে যাবে। তার পরেই তা প্রকাশ্যে আসতে পারে বলে খবর। শিল্প দফতর সূত্রে আরও জানা গিয়েছে, নতুন নীতির পাশাপাশি সেপ্টেম্বর থেকে চালু হবে শিল্পের ছাড়পত্রের জন‍্য ‘এক জানলা’ পদ্ধতি। প্রশাসনের এক শীর্ষ কর্তার মতে, এত দিন ‘এক জানলা’ নীতি খাতায়কলমে থাকলেও তা তত কাজে আসত না। এ বার উন্নত ব্যবস্থায় শিল্প সংস্থাগুলি নির্দিষ্ট সময়ে সব ছাড়পত্র পেয়ে যাবে।

এই প্রতিবেদনটি প্রথমে আনন্দবাজার পত্রিকার মুদ্রিত সংস্করণে প্রকাশিত হয়েছে
Nabanna West Bengal government

সঠিক খবর পেতে গুগ্‌লে বেছে নিন আনন্দবাজার ডট কম

ফলো করুন আমাদের মাধ্যমগুলি

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy