দল দখলের লড়াইয়ে কালীঘাটের থেকে আরও এক ধাপ এগিয়ে থাকতে চাইছে ঋতব্রত শিবির। তৃণমূলের চেয়ারপার্সন পদ থেকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে। গড়া হয়েছে নতুন ওয়ার্কিং কমিটি। শুক্র ও শনিবার সেই ওয়ার্কিং কমিটির বৈঠকে নতুন রাজ্য সভাপতি এবং জেলা সভাপতিদের নাম ঠিক করা হবে।
গত মাসের ২২ তারিখ নিউ টাউনের একটি পাঁচতারা হোটেলে বৈঠক করেছিল বিদ্রোহী তৃণমূল। ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের শিবিরে নাম লেখানো বিধায়কেরা ছাড়াও ছিলেন কলকাতা এবং অন্যান্য পুরসভার অনেক কাউন্সিলর। সেই বৈঠকে মমতাকে সরিয়ে দলের চেয়ারপার্সন নিয়োগ করা হয় মধ্য হাওড়ার বিধায়ক অরূপ রায়কে। ঋতব্রত, জাভেদ খান এবং সন্দীপন সাহা হন সাধারণ সম্পাদক এবং আখরুজ্জামান আনসারি কোষাধ্যক্ষ। এ ছাড়া, ৩০ সদস্যের ওয়ার্কিং কমিটিও গঠন করা হয়। এই তালিকা জাতীয় নির্বাচন কমিশনের কাছে জমা দিয়ে নিজেদের আসল তৃণমূল বলে দাবি করেছেন ঋতব্রতেরা। পাল্টা চিঠি দিয়েছে কালীঘাটও। সেই মামলা এখন কমিশনের বিচারাধীন। এরই মাঝে দল বেঁধে গিয়ে মেট্রোপলিটানে অস্থায়ী তৃণমূল ভবনের দখল নিয়েছেন ঋতব্রতেরা। দলের উপর নিজেদের দাবি আরও পাকাপোক্ত করতে এ বার রাজ্য ও জেলা কমিটি গড়ার কাজে তাঁরা মনোযোগী।
আরও পড়ুন:
তপসিয়ার বোটিং ক্লাব রিসর্টে দু’দিনের বৈঠকে ঋতব্রত শিবিরের বিধায়কদের সঙ্গে জেলা স্তরের বেশ কিছু নেতা এবং বিধানসভা ভোটে হেরে যাওয়া কয়েক জন প্রার্থীও থাকবেন। সূত্রের খবর, সাংগঠনিক অভিজ্ঞতা এবং রাজনৈতিক দক্ষতার ভিত্তিতে ওই নেতাদের গুরুত্বপূর্ণ সাংগঠনিক দায়িত্ব দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে। অরূপ রায় এ দিন বলেন, ‘‘আজ আমাদের জাতীয় কর্মসমিতির বৈঠক আছে। সেখানে আমরা রাজ্য সভাপতি এবং জেলা সভাপতিদের নাম ঠিক করব।’’