বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় প্রত্যাশিত ভাবেই রাজ্যসভায় ফের নির্বাচিত হলেন সুখেন্দুশেখর রায়, সুস্মিতা দেব ও প্রকাশ চিক বরাইক। সাংসদ-পদ ও তৃণমূল কংগ্রেস ছেড়ে আসার পরে তাঁদেরই ফের নিজেদের টিকিটে রাজ্যসভায় প্রার্থী করেছিল বিজেপি। আর এক পদত্যাগী সাংসদ রুক্মিণী ( কোয়েল) মিত্রকে নিয়ে একই জল্পনার মধ্যে সুখেন্দুদের নির্বাচিত হওয়ার শংসাপত্র নেওয়া উপলক্ষে হাজির ছিলেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য। তৃণমূলত্যাগীদের বিজেপির তরফে রাজ্যসভায় ফেরানোর দিনই তাঁর মুখে ফের শোনা গেল দরজা বন্ধের কথা!
তিন সাংসদের ইস্তফায় রাজ্যসভার যে তিন পদ শূন্য হয়েছিল, সেখানে উপনির্বাচনে মনোনয়ন প্রত্যাহারের শেষ দিন ছিল শুক্রবার। সেই সময় ফুরনোর পরেই এ দিন বিধানসভার সচিব বিজেপির তিন প্রার্থীর হাতে শংসাপত্র তুলে দিয়েছেন। উপস্থিত ছিলেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি শমীক, রাজ্যসভার সাংসদ রাহুল সিন্হা, প্রাক্তন সাংসদ দেবশ্রী চৌধুরী প্রমুখ। তৃণমূল ছেড়ে আসতেই সুস্মিতা, প্রকাশদের আবার রাজ্যসভায় জায়গা দেওয়া নিয়ে বিজেপির ঘরে-বাইরে নানা প্রশ্ন উঠছে। সেই প্রশ্নেই বিজেপির রাজ্য সভাপতি এ দিন বলেছেন, ‘‘তৃণমূল থেকে ইস্তফা দিয়ে তিন জন বিজেপির পরিবারে শামিল হয়েছেন, রাজ্যসভায় আমাদের সাংসদ-সংখ্যা আরও তিন বাড়ল। বিভিন্ন প্রচার চলছে। কিন্তু আগেও বলেছি এবং আবার বলছি, শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায় শিখিয়েছিলেন নেতার চেয়ে দল এবং দলের চেয়ে দেশ বড়। সেই অবস্থানেই আমরা আছি। তিন জনকে দলে নিয়েছি। এই মুহূর্তে দলের দরজা বন্ধ।’’ কিন্তু দরজা বন্ধ হলে কোয়েলের ক্ষেত্রে কী হবে? বিজেপির রাজ্য সভাপতির সতর্ক জবাব, ‘‘আলাদা করে কারও কথা বলতে পারব না। সংসদীয় বোর্ড আছে। সেখানে সিদ্ধান্ত হবে।’’ সেই সঙ্গেই শমীক ফের মনে করিয়ে দিয়েছেন, ‘‘একটু জল্পনা চলুক না! কিন্তু চিহ্নিত দুর্বৃত্তদের দলে নেব না। ডিম-থেরাপিতে বিশ্বাস করি না। আমার মাথায় ডিম পড়ুক, সেটাও চাই না!’’