সাধারণ মানুষের নানা অভিযোগ শুনে তার সুরাহা করার লক্ষ্যে বিধাননগরে বিজেপির দলীয় দফতরে ‘জনতার দরবার’ বসান মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। বনগাঁর বিজেপি কর্মী রাহুল দে-র মৃত্যুর বিচার চাইতে শুক্রবার সেই দরবারে এলেন তাঁর বাবা দীপক দে। মুখ্যমন্ত্রী প্রয়োজনীয় আশ্বাস দিয়েছেন বলে পরিবার জানিয়েছে। পরিবারের অভিযোগ, বিজেপি করার জন্য বাড়ি থেকে বার করে বেধড়ক মারধর করা হয়েছিল রাহুলকে। পরে হাসপাতালে তাঁর মৃত্যু হয়। পাশাপাশি, চাকরি বাতিলের নির্দেশ পেয়ে মুখ্যমন্ত্রীর দরবারে এসেছেন কলকাতা পুরসভার ন্যাশনাল হেল্থ মিশনের অধীনে কাজ করা চার চিকিৎসক। তাঁদের দাবি, নিয়ম অনুযায়ী, ৭০ বছর পর্যন্ত চাকরি করার কথা। কিন্তু তাঁদের ৬৫ বছর পূর্ণ হওয়ায় চলতি বছর ১৫ অগস্ট চাকরি থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি, শিশুকন্যার জটিল রোগের চিকিৎসার জন্য পূর্ব মেদিনীপুর থেকে জনতার দরবারে এসেছিলেন এক দম্পতি। মুখ্যমন্ত্রীর দরবারে যাওয়ার জন্য বিধাননগরে এসেছিলেন অ্যাসিড আক্রান্ত এক তরুণী। তবে শেষ পর্যন্ত মুখ্যমন্ত্রীর দেখা এ দিন না-পেলেও তাঁর বক্তব্য, ঘটনায় অভিযুক্তেরা জামিন পাওয়ায় বাড়িতে থাকতে আতঙ্কে ভুগছেন তিনি। রাজ্য বিজেপির সাধারণ সম্পাদক লকেট চট্টোপাধ্যায় বলেছেন, “বিভিন্ন সমস্যা নিয়ে মানুষ মুখ্যমন্ত্রীর কাছে আসেন। তিনি আন্তরিক ভাবে সমস্যার সমাধান করার চেষ্টা করেন।”