ক্ষমতায় আসার পরেই হাসিমারা ও কলাইকুন্ডা বিমানঘাঁটিকে আধুনিক অসামরিক বিমানবন্দরে রূপান্তরের প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল রাজ্য সরকার। কিন্তু রাজ্যের পক্ষ থেকে প্রয়োজনীয় জমি হস্তান্তর প্রক্রিয়া এখনও শুরু হয়নি বলে জানিয়েছে কেন্দ্রীয় বিমান মন্ত্রক।
এয়ারপোর্ট অথরিটি অব ইন্ডিয়া (এএআই) রাজ্য সরকারের কাছে কলাইকুন্ডা ও হাসিমারা বিমানঘাঁটিতে সিভিলিয়ান এনক্লেভ (অসামরিক বিমানবন্দর) নির্মাণের জন্য যথাক্রমে ৩৮.২৫ একর ও ৩৮ একর জমির প্রয়োজন রয়েছে বলে জানিয়েছিল। রাজ্যে বিমানবন্দরের সংখ্যা বাড়ানোর জন্য মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী নিজে উদ্যোগী হয়েছেন।
সদ্য পেশ হওয়া বাজেট নথিতে পরিকাঠামো উন্নয়নে ওই দুই বিমানবন্দরের উল্লেখ রয়েছে। কিন্তু রাজ্য সরকার এখনও দু’টি বিমানবন্দর প্রকল্পে এক ছটাক জমিও এয়ারপোর্ট অথরিটি অব ইন্ডিয়ার হাতে তুলে দেয়নি বলে বিজেপির রাজ্যসভা সাংসদ রাহুল সিংহের প্রশ্নের উত্তরে জানিয়েছে বিমান মন্ত্রক।
বর্তমানে ভারতীয় বিমান বাহিনীর হাতে থাকা হাসিমারা ও কলাইকুন্ডা বিমানবন্দর উড়ান যোজনায় ‘আনসার্ভড’ (যেখান থেকে বাণিজ্যিক উড়ান নেই) বিমানবন্দরের তালিকাভুক্ত। আগামী দশ বছরে (২০২৬-’৩৬) উড়ান প্রকল্পের পরবর্তী পর্যায়ে ২৮,৮৪০ কোটি টাকা বরাদ্দ করেছে কেন্দ্র। এই প্রকল্পে উচ্চকাঙ্ক্ষী জেলা ও অগ্রাধিকারপ্রাপ্ত জেলাগুলিতে মোট ১০০টি বিমানবন্দর ও ২০০টি আধুনিক হেলিপ্যাড গড়ে তোলার লক্ষ্যমাত্রা নেওয়া হয়েছে, যাতে দেশের প্রান্তিক এলাকা পর্যন্ত যোগাযোগ স্থাপিত হয় এবং জরুরি পরিস্থিতিতে প্রত্যন্ত এলাকাগুলির সঙ্গে যোগাযোগ সাধন সম্ভব হয়।
ওই প্রকল্প কবে শেষ হবে, খরচ কত হবে, বিমান মন্ত্রকের কাছে তা-ও জানতে চেয়েছিলেন রাহুল। বিমান মন্ত্রক জানিয়েছে, পারস্পরিক প্রতিযোগিতামূলক যোজনায় ওই দুই এয়ার স্ট্রিপের উন্নয়নে কেন্দ্রের কাছে নাম পাঠাতে পারে রাজ্য।