হেফাজতে থাকা দুই অভিযুক্তের ‘এনকাউন্টারে’ মৃত্যু নিয়ে রিপোর্ট তলব করেছে রাজ্য মানবাধিকার কমিশন। একই সঙ্গে কলকাতার সরশুনায় তিন অভিযুক্তকে খালি গায়ে কোমরে দড়ি বেঁধে ঘোরানোর ঘটনাতেও নগরপালের রিপোর্ট তলব করেছে কমিশন। কোন অফিসারের নির্দেশে ওই তিন জনকে খালি গায়ে কোমরে দড়ি বেঁধে জনসমক্ষে ঘোরানো হয়েছিল, তা-ও ওই রিপোর্টে নগরপালকে জানাতে বলা হয়েছে। সরশুনার ঘটনা প্রসঙ্গে কমিশনের চেয়ারম্যান অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি ইন্দ্রপ্রসন্ন মুখোপাধ্যায় নির্দেশিকায় লিখেছেন যে এই ঘটনা ‘দাস ব্যবস্থার’ কথা, যেখানে পশু এবং মানুষের মধ্যে কোনও তফাত করা হত না, মনে করিয়ে দেয়।
সরশুনা কাণ্ডে খালি গায়ে এবং খালি পায়ে ঘোরানো হচ্ছে অভিযুক্তদের। মঙ্গলবার সকালে বেহালায়। ছবি: সংগৃহীত।
উত্তর ২৪ পরগনার নাবালিকাকে ধর্ষণ-খুনে অভিযুক্তের এনকাউন্টারে মৃত্যুর ঘটনায় সংশ্লিষ্ট পুলিশ সুপারকে ৬ নভেম্বরের মধ্যে যাবতীয় তথ্যপ্রমাণ-সহ রিপোর্ট জমা দিতে বলা হয়েছে। শমসেরগঞ্জে খুনে অভিযুক্তের ‘এনকাউন্টারে’ মৃত্যুর ঘটনাতেও মুর্শিদাবাদের এসপি-র রিপোর্ট তলব করেছে রাজ্য মানবাধিকার কমিশন। ঘটনার অডিয়ো-ভিডিয়ো সব ধরনের তথ্য এসপিকে সংরক্ষণ করতে হবে। ১৭ নভেম্বরের মধ্যে বিস্তারিত রিপোর্ট পাঠাতে বলেছে কমিশন। দক্ষিণ ২৪ পরগনায় নাবালিকাকে ধর্ষণ এবং খুনে অভিযুক্ত প্রভাস মণ্ডলের ‘এনকাউন্টারে’ মৃত্যুর ঘটনাতেও সংশ্লিষ্ট এসপি-র রিপোর্ট তলব করেছিল রাজ্যমানবাধিকার কমিশন।