E-Paper
এই প্রতিবেদনটি প্রথমে আনন্দবাজার পত্রিকার মুদ্রিত সংস্করণে প্রকাশিত হয়েছে

কল্যাণী বিমানবন্দরে অংশীদারি রাখবে রাজ্য

কলকাতা বিমানবন্দরের উপরে চাপ কমাতে কল্যাণীতে দ্বিতীয় বিমানবন্দর তৈরি করার কথা রাজ্য বাজেটে আগেই ঘোষণা করেছিলেন অর্থমন্ত্রী স্বপন দাশগুপ্ত।

ফিরোজ ইসলাম 

শেষ আপডেট: ২৩ জুলাই ২০২৬ ০৮:১৮

—প্রতীকী চিত্র।

কল্যাণীতে বিমানবন্দর তৈরি হলে তার মালিকানার একাংশ রাজ্য সরকার রাখতে পারে বলে নবান্ন সূত্রে খবর। রাজ্যে অন্ডাল বিমানবন্দরের মালিকানার ২৬ শতাংশ রাজ্যের হাতে রয়েছে। ওই ধাঁচে কল্যাণীতেও বিমানবন্দর নির্মাণের পথে এগোনো হতে পারে বলে প্রশাসন সূত্রের খবর।

কলকাতা বিমানবন্দরের উপরে চাপ কমাতে কল্যাণীতে দ্বিতীয় বিমানবন্দর তৈরি করার কথা রাজ্য বাজেটে আগেই ঘোষণা করেছিলেন অর্থমন্ত্রী স্বপন দাশগুপ্ত। সম্প্রতি মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী জানান, বিমানবন্দর নির্মাণের জন্য দু’হাজার একর জমি রাজ্য সরকার চিহ্নিত করেছে। প্রশাসন সূত্রে খবর, ১২ নম্বর জাতীয় সড়ক লাগোয়া ওই অংশে প্রায় ৪০০ একর জমি রাজ্য সরকারের কাছেই রয়েছে। বাকি জমি রাজ্য সরকার কিনবে। একটি যৌথ সংস্থা তৈরি করে রাজ্য সরকার ওই জমি কিনতে পারে বলে সূত্রের খবর।

সম্প্রতি নবি মুম্বই এবং নয়ডায় যে বিমানবন্দর তৈরি হয়েছে সেখানেও সরকারি অংশীদারি রয়েছে। নবি মুম্বই আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের ক্ষেত্রে নবি মুম্বই ইন্টারন্যাশনাল এয়ারপোর্ট নামে একটি বিশেষ সংস্থা (স্পেশাল পারপাস ভেহিক্‌ল বা এসপিভি) তৈরি করা হয়। ওই সংস্থায় আদানি গোষ্ঠী রয়েছে, সিডকো নামে একটি সংস্থার মাধ্যমে সরকারি অংশীদারি রয়েছে। নয়ডা আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে উত্তরপ্রদেশ সরকারের একাধিক সংস্থার মাধ্যমে ৭৫ শতাংশ পর্যন্ত অংশীদারি ছাড়াও জুরিখ বিমানবন্দরের ২৫ শতাংশ অংশীদারি রয়েছে। কল্যাণীতে অংশীদার সংস্থা কারা হবে তা চূড়ান্ত না হলেও রাজ্য সরকারের অংশীদারির বিষয়টি গুরুত্ব পাচ্ছে। প্রসঙ্গত, কলকাতা বিমানবন্দরের পরিচালনায় বিভিন্ন ক্ষেত্রে রাজ্য সরকার প্রশাসনিক সহযোগিতা করলেও সেটির মালিকানা মূলত এয়ারপোর্ট অথরিটি অব ইন্ডিয়ার অধীনে।

রাজ্যে আসানসোল-দুর্গাপুর এবং জলপাইগুড়ি-শিলিগুড়ির মতো লাগোয়া শহরকে যুক্ত করার জন্য রাজ্য সরকার সিটি মেট্রো প্রকল্পের কথাও ভেবেছে। ওই প্রকল্প নগরোন্নয়ন মন্ত্রকের সঙ্গে রাজ্যের যৌথ অংশীদারিতে নির্মিত এবং পরিচালিত হবে। ওই দুই প্রকল্পের আর্থিক বাস্তবতা যাচাই করতে রেলের সংস্থা রাইটস সমীক্ষা করছে বলে খবর। কলকাতায় যানজট কমাতে শালিমার এবং গার্ডেনরিচের মধ্যে রোরো পরিষেবা চালু করার পরিকল্পনা হয়েছে। এর ফলে হুগলি সেতু এবং শহরের রাস্তা ব্যবহার না করেই বিভিন্ন মালবাহী ট্রাক সরাসরি কলকাতা বন্দরে পৌঁছতে কিংবা সেখান থেকে বেরিয়েআসতে পারবে।

কলকাতার জলপথ উন্নয়নে কেরলের কোচির ধাঁচে ওয়াটার মেট্রো পরিষেবাও চালু করতে চায় রাজ্য। সে জন্য ইনল্যান্ড ওয়াটারওয়েজ় অথরিটি অব ইন্ডিয়ার সঙ্গে সহযোগিতার ক্ষেত্র তৈরি করা হচ্ছে।

এই প্রতিবেদনটি প্রথমে আনন্দবাজার পত্রিকার মুদ্রিত সংস্করণে প্রকাশিত হয়েছে
airport WB Government

সঠিক খবর পেতে গুগ্‌লে বেছে নিন আনন্দবাজার ডট কম

ফলো করুন আমাদের মাধ্যমগুলি

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy