ইন্ডিয়া মঞ্চের ‘নড়াচড়া’ শুরু হয়ে গিয়েছে। এমন সময়ে বাড়ানো প্রয়োজন এনডিএ-র মধ্যে সমন্বয়। এমনটাই দাবি এনসিপিআই নেতা সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়ের। বিষয়টি তিনি বাদল অধিবেশনের শেষ দিন স্পিকারের চায়ের আসরে জানিয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীকে। গত কাল আবারও প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে যোগাযোগ করে স্মরণ করিয়েছেন। এনডিএ-র দুই শরিক নেতা, জেডিইউ-এর নীতীশ কুমার এবং টিডিপি-র চন্দ্রবাবু নায়ডুর সঙ্গেও শীঘ্রই এ নিয়ে কথা বলার পরিকল্পনা রয়েছে তাঁর। মহালয়ার দিন কলকাতায় মোদী এলে তাঁর সঙ্গে কথা হতে পারে সুদীপের।
আজ সুদীপ বলেন, “ওই দুই নেতার সঙ্গেই আমার পুরনো সম্পর্ক। চন্দ্রবাবু ২৪-এর লোকসভায় বেলগাছিয়ায় এসে আমার জনসভায় বক্তৃতা করেছিলেন। নীতীশের সঙ্গে তো আরও পুরনো সম্পর্ক। তাঁর সঙ্গে সখ্যের কারণে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে আমার অতীতে মতবিরোধ হয়েছিল।” সুদীপের বক্তব্য, “দেশে নানা রাজনৈতিক ঘটনা ঘটছে। ককরোচ পার্টির আন্দোলনকে অবহেলা করা চলে না। ইন্ডিয়া মঞ্চে অনেক মতবিরোধ রয়েছে, অখিলেশ যাদবকে দেখা যাচ্ছে না, ডিএমকে, আপ সঙ্গে নেই। তবুও তাদের সক্রিয়তা দেখা যাচ্ছে। এই পরিস্থিতিতে বিজেপি শরিক দলগুলির সঙ্গে আলোচনার মাধ্যমে কোনও সর্বসম্মত গতিমুখ দিলে কর্মীদের সেই মতো নির্দেশ দেওয়া যাবে।”
কলকাতার আসন্ন পুরভোটে অংশ নিতে আগ্রহী এনসিপিআই। তা নিয়েও বিজেপির সঙ্গে আলোচনা চাইছেন সুদীপ। মোদী জমানায় আজ পর্যন্ত এনডিএ-র আহ্বায়ক পদটি খালি। যদিও অতীতে চন্দ্রবাবু থেকে জর্জ ফার্নান্ডেজ়ের মতো ডাকসাইটে নেতারা জোট চালনায় বড় ভূমিকা নিয়েছেন। গত অগস্টে সুদীপ মোদীকে বলেন, দু’টি সংসদীয় অধিবেশনের মধ্যের এই দীর্ঘ সময়ে সরকারের শরিক দলগুলির মধ্যে যোগাযোগ রাখা ও রাজনৈতিক কর্মসূচি স্থির করার জন্য এনডিএ-র এক জন আহ্বায়ক থাকলে সুবিধে হয়। অবশ্য এনডিএ-র বৈঠকগুলিতে যেতে শুরু করলেও এনসিপিআই এখনও স্বীকৃতি পায়নি। তারা সংসদের খাতায় এখনও ‘তৃণমূল’ হিসেবেই চিহ্নিত।