বিধানসভা নির্বাচনে হারার পরে বিধানসভা, লোকসভা-সহ নানা স্তরে দলের জনপ্রতিনিধিদের বিদ্রোহের চোটে ইতিমধ্যেই ছত্রখান হয়েছে তৃণমূল কংগ্রেস। এরই মধ্যে রাজ্যের প্রাক্তন মন্ত্রী সুজিত বসু তাঁর নির্বাচনী খরচের হিসাব না-দেওয়ায় নতুন জটিলতা দেখা দিয়েছে। বিধাননগরের পরাজিত তৃণমূল প্রার্থী সুজিত এই মুহূর্তে ইডি-র হাতে গ্রেফতার হয়ে সংশোধনাগারে রয়েছেন। সূত্রের খবর, বিধাননগরের তৃণমূল প্রার্থী সুজিতের খরচের হিসাব নির্দিষ্ট তারিখ পেরিয়ে গেলেও নির্বাচন কমিশনের কাছে জমা পড়েনি। নিয়ম অনুযায়ী, ভোটের ফলপ্রকাশের এক মাসের মধ্যে এই খরচের হিসাব জমা দিতে হয় প্রার্থী বা তাঁর এজেন্টকে। কিন্তু সুজিতের নির্বাচনী এজেন্ট, বিধাননগরের পুর-প্রতিনিধি রাজেশ চিড়িমারকেও এলাকায় দেখা যাচ্ছে না বলে স্থানীয় সূত্রের খবর। এই পরিস্থিতিতে জনপ্রতিনিধিত্ব আইনের ১০/এ ধারা অনুযায়ী, নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে কোনও প্রার্থী হিসাব না-দিতে পারলে এবং তার পক্ষে যথাযথ ব্যাখ্যা না-থাকলে, সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি তিন বছরের জন্য ভোটে লড়তে পারবেন না। বিধাননগরের কংগ্রেস প্রার্থী রণজিৎ মুখোপাধ্যায়ের দাবি, আইন অনুযায়ী প্রাক্তন মন্ত্রীর ভোটে লড়ার অধিকার বাজেয়াপ্ত হওয়া উচিত। কমিশন সূত্রে বক্তব্য, এমন উদাহরণ অতীতে রয়েওছে।