E-Paper
এই প্রতিবেদনটি প্রথমে আনন্দবাজার পত্রিকার মুদ্রিত সংস্করণে প্রকাশিত হয়েছে

সিপিএমের সঙ্গে বইয়ের সম্পর্ক কী, প্রশ্ন শুভেন্দুর

সিপিএম অবশ্য মুখ্যমন্ত্রীকে পাল্টা কটাক্ষ করেছে। সিপিএমের কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য সুজন চক্রবর্তী বলেন, “বাংলার মানুষকে ভয় দেখিয়ে লাভ নেই। বই বিপণিতে ভয় দেখিয়েছিলেন, বুমেরাং হয়েছে। বিপণি, বই বিক্রি বেড়েছে।’’

নিজস্ব সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ২৯ অক্টোবর ২০২৬ ০৬:৪৮
শুভেন্দু অধিকারী।

শুভেন্দু অধিকারী। — ফাইল চিত্র।

দুর্গাপুজোয় বামেদের বইয়ের স্টলে হামলার ঘটনা প্রসঙ্গে কার্যত সিপিএমকে কটাক্ষ করলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। বুধবার নবান্নে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, ‘‘সিপিএমের সঙ্গে বইয়ের সম্পর্ক কী? আমি তো এতদিন জানতাম, সিপিএমের সঙ্গে সম্পর্ক মাওবাদীদের। সিপিএমের সঙ্গে সম্পর্ক জনযুদ্ধের। সিপিএমের স্লোগান জেহাদি, আজ়াদি।’’ এখানেই থামেননি মুখ্যমন্ত্রী। তিনি বলেন, ‘‘সিপিএমের স্লোগান ধর্ম মানে আফিম। সিপিএমের স্লোগান যে কোনও ধর্ম নেই, ‘আমরা নাস্তিক’। আমি একাধিক নেতার বক্তৃতা শুনেছি, গর্বের সঙ্গে সূর্যকান্ত মিশ্র বলেছেন, ‘আমার গায়ে পৈতে নেই, উপবীত নেই, আমি ধর্ম মানি না...’। সুজন চক্রবর্তীরও বক্তব্য দেখেছি।’’

শুধু তাই নয়, আরএসএস-বিরোধিতা নিয়েও সিপিএমকে বিঁধেছেন মুখ্যমন্ত্রী। তাঁর দাবি, ‘‘সিপিএমের বক্তব্য, আরএসএসের পরিচালিত স্কুল থেকে নাকি গুন্ডা তৈরি হয়। এ ভাষা আমরা দেখেছি। সিপিএমের লোকেদের উল্টো করে জাতীয় পতাকা আলিমুদ্দিন স্ট্রিটে তুলতে দেখেছি। সিপিএমের লোকেদের মিছিলে স্বামী বিবেকানন্দের ছবি দেখিনি। চে গ্যেভারার ছবি লাগানো টি-শার্ট পরতে দেখেছি। কমিউনিস্টদের বলতে শুনেছি, ‘নেতাজি হলো তোজোর কুকুর, রবীন্দ্রনাথ বুর্জোয়া কবি।’ কমিউনিস্টদের মুখে শুনেছি যে পূর্ণাঙ্গ বন্দে মাতরমে সাম্প্রদায়িকতা আছে। সিপিএমের সঙ্গে বইয়ের সম্পর্ক আমি খুঁজে পাইনি।’’

সিপিএম অবশ্য মুখ্যমন্ত্রীকে পাল্টা কটাক্ষ করেছে। সিপিএমের কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য সুজন চক্রবর্তী বলেন, “বাংলার মানুষকে ভয় দেখিয়ে লাভ নেই। বই বিপণিতে ভয় দেখিয়েছিলেন, বুমেরাং হয়েছে। বিপণি, বই বিক্রি বেড়েছে।’’

পুরনো একটি সংবাদ প্রতিবেদন তুলে ধরে এবং তৎকালীন তৃণমূল নেতা শুভেন্দু অধিকারীর দিকে ইঙ্গিত করে সুজন পাল্টা বলেছেন, ‘‘নন্দীগ্রাম থেকে জঙ্গলমহল, কারা মাওবাদীদের সাথে হাত মিলিয়ে বামফ্রন্ট সরকারকে ফেলতে চেয়েছিলেন, মানুষ তা ভুলে যাননি। বিজেপির ‘ওয়াশিং মেশিনে’ সব দাগ ধুয়ে ফেলা যায় না।”

এই প্রতিবেদনটি প্রথমে আনন্দবাজার পত্রিকার মুদ্রিত সংস্করণে প্রকাশিত হয়েছে
Suvendu Adhikari

সঠিক খবর পেতে গুগ্‌লে বেছে নিন আনন্দবাজার ডট কম

ফলো করুন আমাদের মাধ্যমগুলি

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy