E-Paper
এই প্রতিবেদনটি প্রথমে আনন্দবাজার পত্রিকার মুদ্রিত সংস্করণে প্রকাশিত হয়েছে

শূন্য আসন, ভর্তি পদ্ধতিতে ক্ষোভ

উচ্চ শিক্ষা দফতর সূত্রে দাবি, গত বছর ইঞ্জিনিয়ারিং, ফার্মাসিতে ১৫,৭২৯ জনের বদলে এ বার ২৭,৫৯৯ জন ভর্তি হয়েছেন।

নিজস্ব সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ১৩ অক্টোবর ২০২৬ ০৮:৩৬
প্রতিনিধিত্বমূলক ছবি।

প্রতিনিধিত্বমূলক ছবি।

পশ্চিমবঙ্গে ইঞ্জিনিয়ারিং, ফার্মাসি ও স্নাতকে ভর্তির সংখ‍্যা বৃদ্ধি ‘ঐতিহাসিক সাফল‍্য’ বলে মেলে ধরেছেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। কিন্তু দেখা যাচ্ছে, এ বারই যাদবপুরের মতো দেশের প্রথম সারির বিশ্ববিদ্যালয়ে নজিরবিহীন ভাবে ১৪০ মতো আসন খালি থাকছে। ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে ভর্তিতে পিছিয়ে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ও। ৪৮০ মতো আসনের মধ‍্যে ১৪৭টি শূন্য। এই অবস্থার জন‍্য অনলাইনে বিকেন্দ্রীভূত কাউন্সেলিং প্রক্রিয়া জয়েন্ট এন্ট্রান্স বোর্ড মারফত নিয়ন্ত্রণের চেষ্টাই দায়ী বলে অভিমত শিক্ষকদের একাংশের।

উচ্চ শিক্ষা দফতর সূত্রে দাবি, গত বছর ইঞ্জিনিয়ারিং, ফার্মাসিতে ১৫,৭২৯ জনের বদলে এ বার ২৭,৫৯৯ জন ভর্তি হয়েছেন। তাঁদের মধ‍্যে ১১,১৯০ জন বিকেন্দ্রীভূত কাউন্সেলিং পর্বে ভর্তি হন। ভর্তি বেড়েছে ৭৫.৪%। বিকাশ ভবনের তত্ত্বাবধানে স্নাতকে ভর্তির ক্ষেত্রে ২০২৫-এর দু’লক্ষ ৬১ হাজার ৬৯২ জনের জায়গায় এ বার তিন লক্ষ ৯২ হাজার ২২৭ জন ভর্তি হয়েছেন। ভর্তি বৃদ্ধি ৪৯.৯ শতাংশ। তবে রাজ‍্যের ১৭টি বিশ্ববিদ্যালয়ের ৪৬০টি কলেজে (যাদবপুর, প্রেসিডেন্সি ছাড়া) স্নাতকে সাড়ে ন’লক্ষ আসনের মধ‍্যে এই হিসেবও নগণ‍্য।

ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে যাদবপুর, কলকাতার ভর্তির এই অবস্থার জন‍্য অবশ‍্য ভর্তি প্রক্রিয়াকে দায়ী করতে রাজি নন সংশ্লিষ্ট কর্তারা। এক কর্তা বলেন, “স্বচ্ছ, সুশৃঙ্খল ভাবে ভর্তির জন‍্যই এবার সবটা অনলাইনে নিয়ন্ত্রণ করা হয়েছে। যাদবপুরে হয়তো সব ক’টি বিষয়ে চাহিদা সমান নয়। অনেকেই যাদবপুরে ইলেকট্রিক্যাল বা প্রিন্টিংয়ের বদলে বেসরকারি কলেজে কম্পিউটার বা ইলেকট্রনিক্সে ভর্তি হয়েছেন। ওঁদের আসন বিন‍্যাস পাল্টানো নিয়ে ভাবা দরকার।” যাদবপুর বা কলকাতায় কাউন্সেলিংয়ের শেষ পর্যায়টি তাঁরা আগে নিজেরা নিয়ন্ত্রণ করতেন।

যাদবপুরের এক অধ‍্যাপক বলেন, “বিকেন্দ্রীভূত কাউন্সেলিং পুরোটা অনলাইনে কেন্দ্রীয় ভাবে হলে সময় বেশি লাগার কথা। লাগছেও। ডিসেন্ট্রালাইজড কাউন্সেলিং সাত রাউন্ড ধরে হলেও ৮০ শতাংশ ভর্তিতেই আগে সুযোগ পাওয়া শিক্ষার্থীদের আসন উন্নততর (আপগ্রেড) হয়েছে। কিন্তু আলাদা ভাবে কাউন্সেলিং হলে আগে সুযোগ না পাওয়া পড়ুয়াদের কোনও আসন ফাঁকা হলেই সহজে ভর্তি করানো যেত।” তাঁর দাবি, ‘‘কম্পিউটার, ইলেকট্রনিক্স ছাড়া যাদবপুরে সব বিভাগেই কিছু আসন এখনও ফাঁকা। যা কখনও হয় না।”

এই প্রতিবেদনটি প্রথমে আনন্দবাজার পত্রিকার মুদ্রিত সংস্করণে প্রকাশিত হয়েছে
Jadavpur University MAKAUT

সঠিক খবর পেতে গুগ্‌লে বেছে নিন আনন্দবাজার ডট কম

ফলো করুন আমাদের মাধ্যমগুলি

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy