E-Paper
এই প্রতিবেদনটি প্রথমে আনন্দবাজার পত্রিকার মুদ্রিত সংস্করণে প্রকাশিত হয়েছে

কসবার কলেজে ধর্ষণ কাণ্ডে সাক্ষ্য শুরু আজ

ওই মামলায় মূল অভিযুক্ত কলেজের প্রাক্তন শিক্ষাকর্মী তথা শাসকনদলের ছাত্রনেতা মনোজিৎ মিশ্র এবং তার ঘনিষ্ঠ দুই পড়ুয়া প্রমিত মুখোপাধ্যায় ও জ়াইব আহমেদ।

শুভাশিস ঘটক

শেষ আপডেট: ২৭ জানুয়ারি ২০২৬ ০৯:৩৮
কসবা ল কলেজ।

কসবা ল কলেজ। নিজস্ব চিত্র ।

দক্ষিণ কলকাতা আইন কলেজের ছাত্রী গণধর্ষণের মামলায় আদালত গ্রহণযোগ্য জোরদার বৈদ্যুতিন তথ্যপ্রমাণ ও নথি পেশ করে অভিযুক্তদের দোষী সাব্যস্ত করতে তৎপর কলকাতা পুলিশ।

আজ, মঙ্গলবার আলিপুর অতিরিক্ত দায়রা বিচারক রাজেশ চক্রবর্তীর আদালতে ওই মামলার বিচার প্রক্রিয়ার সাক্ষ্য গ্রহণ শুরু হতে পারে। ওই মামলায় প্রথম সাক্ষী সিআইডির সাইবার ফরেন্সিক ডিজিটাল এভিডেন্স এগজামিন ল্যাবরেটরির রিপোর্টিং অফিসার শ্রীমন্তকুমার সর্দার।ওই মামলায় কলেজ চত্বর এবং বাইরের এলাকা-সহ বেশ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ জায়গার সিসি ক্যামেরা ফুটেজের ফরেন্সিক রিপোর্ট পুলিশের তরফে আদালতে জমা দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি ওই মামলায় চার অভিযুক্তের মোবাইল ফোনের ফরেন্সিক রিপোর্টও আদালতে পেশ করেছে কলকাতা পুলিশ।

প্রসঙ্গত, ওই মামলায় মূল অভিযুক্ত কলেজের প্রাক্তন শিক্ষাকর্মী তথা শাসকনদলের ছাত্রনেতা মনোজিৎ মিশ্র এবং তার ঘনিষ্ঠ দুই পড়ুয়া প্রমিত মুখোপাধ্যায় ও জ়াইব আহমেদ। তিন জন অভিযুক্ত জেল হেফাজতে রয়েছে। এবং কলেজের নিরাপত্তা রক্ষী পিনাকী বন্দ্যোপাধ্যায় জামিনপ্রাপ্ত।আদালত সূত্রে খবর, নির্যাতিতার অভিযোগ অনুযায়ী সিসি ক্যামেরার সমস্ত ফুটেজ এবং অভিযুক্তদের সঙ্গে নির্যাতিতার মোবাইল ফোনের কথাবার্তার তথ্যসূত্রের খুঁটিনাটি ফরেন্সিক রিপোর্ট পেশ করা হয়েছে বলে আদালতে দাবি করেছেন মামলার তদন্তকারী অফিসার।

প্রসঙ্গত, মনোজিৎ ও তার দুই ঘনিষ্ঠ পড়ুয়া ২৫ জুলাই গণধর্ষণে জড়িত বলে পুলিশের কাছে একটি অভিযোগ ২৬ জুলাই দায়ের করা হয়েছিল। নির্যাতিতা পুলিশের কাছে অভিযোগের পাশাপাশি বিচারকের কাছে ওই তিন জনের বিরুদ্ধে গোপন জবানবন্দি দিয়েছেন। ঘটনার তদন্তে গাফিলতি উঠে আসার পরে নিরাপত্তা রক্ষী পিনাকী বন্দ্যোপাধ্যায়কে গ্রেফতার করা হয়।

ঘটনার পরেই কলেজের ইউনিয়ন রুম এবং নিরাপত্তা রক্ষীর ঘরে গণধর্ষণের অকুস্থলের সিসি ক্যামেরা ফুটেজ এবং বিভিন্ন নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছিল। পাশাপাশি অভিযুক্তদের মোবাইল ফোন বাজেয়াপ্ত করা হয়। এর পরই সমস্ত সিসি ক্যামেরা ফুটেজ, মোবাইল ফোনের হ্যান্ডসেট এবং সিম সিআইডি-র ফরেন্সিক ল্যাবরেটরিতে পরীক্ষা করানো হয়। সিআইডি-র ল্যাবরেটরির পাশাপাশি গণধর্ষণের মামলার সমস্ত নমুনা ও সিসি ক্যামেরার ফুটেজের কপি কেন্দ্রীয় ফরেন্সিক ল্যাবরেটরিতে পাঠানো হয়েছে বলে আদালতে জানায় পুলিশ। তবে কেন্দ্রীয় ফরেন্সিক ল্যাবরেটরির ওই রিপোর্ট এখনো হাতে আসেনি বলে আদালতে জানিয়েছেন মামলার তদন্তকারী অফিসার। সাক্ষ্যগ্রহণে বিশেষ সরকারি আইনজীবী ও চার অভিযুক্তের আইনজীবীদের তরফে ওই সাক্ষীকে সওয়াল করা হবে বলে আদালত সূত্রের খবর। নির্যাতিতা, তাঁর বাবা ও মামলার তদন্তকারী অফিসার-সহ ওই মামলায় মোট সাক্ষীর সংখ্যা ৩৭।

এই প্রতিবেদনটি প্রথমে আনন্দবাজার পত্রিকার মুদ্রিত সংস্করণে প্রকাশিত হয়েছে
kasba Alipore Court

সঠিক খবর পেতে গুগ্‌লে বেছে নিন আনন্দবাজার ডট কম

ফলো করুন আমাদের মাধ্যমগুলি

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy