ভূত কি আদপে আছে? এই প্রশ্ন নানা সময় আমাদের মনে উঁকি দেয়। অনেকেই ভূত বিশ্বাস করেন আবার অনেকেই করেন না। কিন্তু ভূতের গল্প সকলেরই ভারী পছন্দের। এ রকমই এক 'গল্প' অথবা 'অভিজ্ঞতা' কালীপুজোর আগে আনন্দবাজার ডট কম-এর সঙ্গে ভাগ করে নিলেন অভিনেতা বিশ্বনাথ বসু।
বেশ কিছু বছর আগে ছবির শ্যুটিংয়ের জন্যে পূর্ব মেদিনীপুরে যান বিশ্বনাথ। মূলত একটি আদিবাসী অধ্যুষিত এলাকায় চলছিল ছবির শুটিং। তবে, রাত বাড়তেই এক অদ্ভুত সমস্যার সম্মুখীন হন তিনি। তিনি জানান, ক্রমশই ভারি হয়ে আসতে থাকে ঘরের আবহাওয়া। চারদিক থমথমে। নিকষ অন্ধকারে এক অদ্ভুত নিঃস্তব্ধতা।
বিশ্বনাথ বলেন, “আমি খুব তাড়াতাড়ি ঘুমিয়ে পড়তে পারি। কিন্তু সেইদিন কিছুতেই ঘুমোতে পারছিলাম না। আমার মনে হচ্ছিল কেউ আমায় ঘুমোতে দিচ্ছে না। আমি যে কাউকে ডাকব, সেটাও পারছিলাম না। পাশের ঘরেই আমার গাড়ির চালক ছিলেন। তাঁকেও ডাকতে পারছিলাম না।”
এখানেই শেষ নয়। বিশ্বনাথের কথায়, “মাঝরাতে হঠাৎ দেখি আমার সারা শরীর খুব চুলকোচ্ছে। এরকম হওয়ারই কথা নয়। আমি ওইদিন এমন কিছু খাইনি যার জন্যে আমার সারা শরীর চুলকাবে।” পুরনো স্মৃতিচারণা করতে গিয়ে তখনও অভিনেতার গলায় চাপা আতঙ্ক। পরে অভিনেতা এই অলৌকিক অভিজ্ঞতা নিয়ে খোঁজ খবর নিতে গিয়ে জানতে পারেন, বহু বছর আগে আদিবাসী সম্প্রদায়ের যাদের অস্বাভাবিক মৃত্যু হত তাদেরকে ঐ জমিতেই কবর দেওয়া হত। কবস্থলের উপরেই এখন শুটিংয়ের জায়গা। সকাল থেকে সেখানে নানা ধরনের ভিড়। তবু রাত বাড়লে এ ভাবেই কি অস্তিত্ব জানান দিয়ে যান ওঁরা? উত্তর অজানা।
এটি ‘আনন্দ উৎসব’ ফিচারের একটি অংশ