Health Partner
Comfort Partner
Knowledge Partner

কেউ যেন খাবলে তুলে নিয়েছে! ঘুম ভাঙতেই দেখি সারা শরীরে নখের গভীর আঁচড়: ভাস্বর

‘‘বোনরা বাড়ি ফিরে ফ্রেশ হয়ে তিন জনই ঘুমিয়ে পড়ে। পরদিন সকালে যখন ঘুম থেকে ওঠে, তখন দেখা যায় ওদের বিছানার গদির তুলো কেউ যেন খাবলে খাবলে তুলে নিয়েছে! ওদেরও তিন জনের সারা শরীরে নখের দাগ!"

আনন্দ উৎসব ডেস্ক

শেষ আপডেট: ০১ নভেম্বর ২০২৬ ২০:৪৬
এই ছবিটি এআই দ্বারা নির্মিত

এই ছবিটি এআই দ্বারা নির্মিত

বাংলা ও বিশ্বসাহিত্যে কবরখানার ভূত নিয়ে বহু শিহরণ জাগানো গল্প রয়েছে। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ‘ক্ষুধিত পাষাণ’, বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের নানা ভৌতিক কাহিনি কিংবা শার্লি জ্যাকসনের অতিপ্রাকৃত সাহিত্যে ভয় ও রহস্যের নানা রূপ দেখা যায়। তবে স্রেফ গল্প নয়, এমনটা নাকি বাস্তবেও ঘটেছে বার বার। কবরখানার ভূতের কবলে পড়ার তেমনই এক গা শিরশিরে গল্প শোনালেন অভিনেতা ভাস্বর চট্টোপাধ্যায়।

রাতে কবরখানার পাশ দিয়ে যেতে গা ছমছম করে ওঠে অনেকেরই। মনে হয়, যেন ওপারে দাঁড়িয়ে আছে কোনও মৃত মানুষ— মুখ ফ্যাকাশে, চোখ দুটো স্থির, ঠোঁটে অদ্ভুত হাসি। ঘাড়ের কাছে কে যেন বরফশীতল নিঃশ্বাস ফেলে বলতে চায়, ‘আমাকে চিনতে পারলে না?’ এর থেকেও হাড় হিম করা ঘটনা ঘটেছিল ভাস্বরের আপনজনের সঙ্গে।

আনন্দবাজার ডট কম-কে ভাস্বর বলেন, ‘‘আমার জীবনে ভৌতিক ঘটনা একেবারেই ঘটেনি। কিন্তু আমার নিজের বোনের সঙ্গেই বীভৎস এক ঘটনা ঘটেছিল। আমার বোন বিয়ের পরে বরের সঙ্গে বেঙ্গালুরুতে চলে যায়। সেখানে ওরা বেশ কয়েক বছর ছিল। এক বার আমার বোন, ভগ্নিপতি আর বাচ্চা ওখানকারই এক বন্ধুর বাড়িতে নিমন্ত্রণে গিয়েছিল। রাতের খাওয়া সেরে রওনা হতেই অনেকটা রাত হয়ে গিয়েছিল। ফেরার সময়ে ওরা গাড়ি নিয়ে একটা শর্টকাট রাস্তা ধরে, যে পথে একটা বড় কবরখানা পেরিয়ে যেতে হয়। ফাঁকা রাস্তা হলেও অন্ধকার নয়, রাস্তায় আলো ছিল। কবরখানাটা পেরোনোর সময়ে ওরা দেখে পাঁচিলে কালো রঙের কিছু যেন বসে আছে। যদিও পরিষ্কার বোঝা যাচ্ছে না, সেটা কী! উঁচু পাঁচিলের উপরে অত রাতে কোনও মানুষ তো আর বসে থাকবে না। বাঁদর-হনুমানও নয়। গা ছমছম করে ওঠায় ওরা সোজা গাড়ি চালিয়ে বাড়ি ফিরে আসে।ʼʼ

এখানেই শেষ নয় কিন্তু। তাজ্জব করে দেওয়া ভয়ঙ্কর ঘটনাটা ঘটল এর পরে। ভাস্বরের কথায়, ‘‘বোনরা বাড়ি ফিরে ফ্রেশ হয়ে তিন জনই ঘুমিয়ে পড়ে। পরদিন সকালে যখন ঘুম থেকে ওঠে, তখন দেখা যায় ওদের বিছানার গদির তুলো কেউ যেন খাবলে খাবলে তুলে নিয়েছে! ওদেরও তিন জনের সারা শরীরে নখের দাগ! আমার ভগ্নিপতি যে ট্র্যাকপ্যান্ট পরেছিল, তার কিছু কিছু জায়গা ছেঁড়া। কেউ যেন জোর করে ছিঁড়ে দিয়েছে! অথচ ওরা কিন্তু সারা রাত ভাল ভাবেই ঘুমিয়েছে। কোনও আঘাতের অনুভূতি কেউই বুঝতে পারেনি! সেদিন সকালে ওরা ওই বন্ধুকে ফোন করে সবটা জানায়। কবরখানার পাশ দিয়ে ফেরা, সকালে ঘুম ভেঙে দেখা সব কিছুই। ওদের বন্ধু বকেছিলেন ওই পথ ধরে ফেরার জন্য। বলেছিলেন, রাতে নাকি কবরখানার ওই রাস্তাটা দিয়ে কেউ যায় না!

হোটেলে এমন অভিজ্ঞতার কথা অনেকেই বলেন। কিন্তু নিজেদের বাড়ি এসে গোটা গায়ে নখের আঁচরের দাগ কিন্তু বেশ বিরল ঘটনা। অশরীরী কেউ যেন কবর থেকে বাড়ি অবধি ধাওয়া করেছিল! আজও আমাদের পরিবার সেই ঘটনার কথা ভুলতে পারেনি।ʼʼ

এই প্রতিবেদনটি 'আনন্দ উৎসব' ফিচারের একটি অংশ।

Horror celeb fear Diwali kalipuja Graveyard Experience

সঠিক খবর পেতে গুগ্‌লে বেছে নিন আনন্দবাজার ডট কম

ফলো করুন আমাদের মাধ্যমগুলি

Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy