অভিনয় জগতে নিজের পসার জমিয়েছেন অনেক আগেই। রাজনীতির মঞ্চেও তিনি এক সময়ের সক্রিয় প্রতিনিধি। দুই ক্ষেত্রেই দাপটে কাজ করলেও বরাবরই ঠোঁটের কোণে প্রাণবন্ত হাসি লেগে থাকে সায়ন্তিকা বন্দ্যোপাধ্যায়ের। এমনিতে তিনি ‘আওয়ারা’, তবে ভূতে বড়ই ভয়! যদিও সে কথা অকপটেই স্বীকার করে নেন অভিনেত্রী। ভূত চতুর্দশীর আগে আনন্দবাজার ডট কম-এর তরফে তাঁর সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়েছিল তাঁর ভূতুড়ে অভিজ্ঞতার খোঁজে। ফোনের ও পাশ থেকেই নায়িকার সোজাসাপটা জবাব, “আমি খুব খুশি যে আমার সঙ্গে এমন কোনও অভিজ্ঞতা ঘটেনি আজ পর্যন্ত। ভগবানের কাছে প্রার্থনা করব যেন ভবিষ্যতেও না ঘটে…”
‘তেনাদের’ নাম শুনলেই যে তাঁর বুক ঢিপঢিপ করে, সে কথা বলতেও দ্বিধা নেই সায়ন্তিকার। নায়িকা বলেন, “আমি ভীষণ ভীতু। বাইরে কোথাও শুটিংয়ে গেলে বা একা ঘুরতে গেলে সব সময়ে হনুমান চালিশা জপ করি। প্রয়োজনে ঘরের সব আলো জ্বালিয়ে রাখি। আমি ভূতে ভয় পাই বলে অনেক সময়ে আমার টিমের সদস্য বা আমার সহ-অভিনেতারাও ভয় দেখায়।”
আরও পড়ুন:
তবে ভূতুড়ে জায়গায় শুটিংয়ের অভিজ্ঞতা রয়েছে বইকি! সায়ন্তিকা বলেন, “রামোজি ফিল্ম সিটিতে আগে বহু ছবির শুটিং করেছি। কিছু কিছু জায়গা ঘিরে একটু ভূতুড়ে ব্যাপার তো আছেই। বিদেশেও অনেক জায়গায় শুটিং করতে গিয়ে গা ছমছম করেছে। কিন্তু ভূতের খপ্পরে পড়িনি কোনও দিন।”
সামনেই কালীপুজো। অভিনেত্রী নিজেকে ‘কালী’ মনে করেন না ‘লক্ষ্মী’? প্রশ্ন শুনেই খানিক হাসি! সায়ন্তিকার মতে, “আমি এমনিতে লক্ষ্মী। কিন্তু কখনও কখনও কালীও হতে পারি। সবটাই পরিস্থিতি বুঝে। প্রয়োজন পড়লে কালীর রূপ নিতে হয়, আবার কখনও লক্ষ্মীমেয়ে হয়েও থাকতে হয়!”
এই প্রতিবেদনটি ‘আনন্দ উৎসব’ ফিচারের একটি অংশ।