Health Partner
Comfort Partner
Knowledge Partner

সিদ্ধি খেয়ে যে এত নেশা হবে বুঝিনি, বাবা-মা খুব হেসেছিলেন: অনির্বাণ ভট্টাচার্য

অভিনেতার কথায়, “পুজো এলেই আনন্দে ভেসে যাওয়া, তার সব কিছু জমিয়ে উপভোগ করা— ছোটবেলার সেই ব্যাপারটা এখন চলে গিয়েছে। কলকাতায় যেহেতু আমার মামার বাড়ি, ছোটবেলায় বেশ কয়েক বার ঘুরতে এসেছি এখানে। রাত জেগে ঠাকুর দেখেছি— এক দিন দক্ষিণ, এক দিন উত্তর কলকাতা। এ ছাড়া, পুজো নিয়ে আমার যা স্মৃতি, সেটা মূলত আমাদের স্কুল জীবন, মানে কৈশোরের স্মৃতি এবং অবশ্যই মেদিনীপুরের স্মৃতি।

আনন্দ উৎসব ডেস্ক

শেষ আপডেট: ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ১৩:০২
পুজোয় কী করবেন অনির্বাণ?

পুজোয় কী করবেন অনির্বাণ?

পুজো মানে তাঁর কাছে এক লম্বা ছুটি। কলকাতায় থাকলে বেশির ভাগ সময়টা বাড়িতে ঘুমিয়ে কাটানো, মাঝেমধ্যে বন্ধুদের সঙ্গে নিরিবিলিতে বসে একটু আড্ডা, আর ভালমন্দ খাওয়া দাওয়া। হ্যাঁ, ঠিক এমনই ছিমছাম ভাবে ইদানীং পুজো কাটান অভিনেতা অনির্বাণ ভট্টাচার্য।

অভিনেতার কথায়, “পুজো এলেই আনন্দে ভেসে যাওয়া, তার সব কিছু জমিয়ে উপভোগ করা— ছোটবেলার সেই ব্যাপারটা এখন চলে গিয়েছে। কলকাতায় যেহেতু আমার মামার বাড়ি, ছোটবেলায় বেশ কয়েক বার ঘুরতে এসেছি এখানে। রাত জেগে ঠাকুর দেখেছি— এক দিন দক্ষিণ, এক দিন উত্তর কলকাতা। এ ছাড়া, পুজো নিয়ে আমার যা স্মৃতি, সেটা মূলত আমাদের স্কুল জীবন, মানে কৈশোরের স্মৃতি। এবং অবশ্যই মেদিনীপুরের স্মৃতি। কয়েক বছর হল কলকাতায় থাকি। এখন তো বাইরে মানে বিদেশে শো থাকে এই সময়টায়। এ ছাড়াও পুজোর ছবি নিয়ে একটা উত্তেজনা কাজ করে।”

অনির্বাণ জানান, এ বছরও তাঁর পুজো কাটবে আমেরিকায়। সেখানে অনুষ্ঠান রয়েছে।

কৈশোরের পুজো কেমন ছিল তাঁর? অভিনেতা জানালেন, মেদিনীপুরের পাশের শহর খড়্গপুরে বেশ কয়েকটি বড় পুজো হত। সেগুলো দেখতেই তিনি ও তাঁর বন্ধুরা বাইকে করে খড়্গপুর যেতেন অষ্টমীর রাতে। সারা রাত ঠাকুর দেখে ফিরে মেদিনীপুর স্টেশনের কাছে একটি চায়ের দোকানে চা খেয়ে সোজা বাড়ি। তার পরে নবমীর সকাল-দুপুর কেটে যেত ঘুমিয়েই।

দশমীর বিসর্জনের সময়ে এক বার সিদ্ধি খেয়েছিলেন। সিদ্ধি জিনিসটায় যে অতখানি নেশা হয়ে যাবে, তা তাঁর কল্পনার বাইরে ছিল। তবে সিদ্ধি যেহেতু পুজোর সঙ্গেই জড়িয়ে রয়েছে, তাই বাড়ি ফিরে বকুনি খেতে হয়নি। তবে তাঁকে ওই টালমাটাল অবস্থায় দেখে বাবা-মা এবং বাড়ির অন্যরা সকলেই খুব হাসাহাসি করেছিলেন। মশকরা করে বলেও ছিলেন, "এই সব আর কখনও খেতে যেও না তুমি!"

তবে এখনকার পুজোয় এমন সব আনন্দ আর হয় না। বরং পুজোয় অভিনেতার সবচেয়ে বেশি উত্তেজনার কারণ হল তাঁর নতুন কাজ।

এ বছর পুজোয় মুক্তি পাচ্ছে ‘দেশু৭’, তাতে অনির্বাণ রয়েছেন এক গুরুত্বপূর্ণ চরিত্রে। তাঁর কথায়, “দেবের পরিচালনায় প্রথম ছবি। খুবই উত্তেজিত লাগছে। দেব-শুভশ্রী জুটি, তাতে এ রকম একটা উৎসবের সময়ে পুজোর ছবিতে! মনে হচ্ছে ব্যাপারটা জমে যাবে।”

অভিনেতার মতে, পুজোর উদযাপন হতে পারে চলচ্চিত্রের মাধ্যমেও। বাংলা ছবির সমস্ত কলাকুশলী এই সময়টারই অপেক্ষায় থাকেন সারা বছর। পুজোর ছবি কেমন হল, তার গান কেমন হল, কতখানি এল বাণিজ্যিক সাফল্য—তার উপরে বাংলা চলচ্চিত্র জগতের অনেক কিছু নির্ভর করে। বাকি বছরটা কেমন যাবে, তারও একটা ধারণা পাওয়া যায়। তাই বাকি শিল্পীদের মতো তিনিও পুজোর ছবি নিয়ে উত্তেজিত থাকেন।

এ বার পুজোয় ছবি ছাড়াও ‘হুলি-গান-ইজম’-এর গান আসছে। একটু বিশদে জানতে চাইতেই অনির্বাণ বললেন, “ওটা সারপ্রাইজ। পুজোয় বেশ জম্পেশ একটা গান আসবে। উৎসবের মরশুমের গান। আমাদের উৎসব তো পুজো থেকেই শুরু হয়ে যায় এবং তা চলতে চলতে শীতকাল গড়িয়ে যায়। এই পুরো সময়টাকে মাথায় রেখেই আমরা একটা গান আনার চেষ্টা করছি।”

ছোটবেলা থেকে বড়বেলার মধ্যে বদলে গিয়েছে অভিনেতার পুজো কাটানোর ধরন। তবে পুজো মানেই উচ্ছ্বাস। সেটা মায়ের আগমনের হোক বা নতুন ছবি, কিংবা গান-মুক্তির। তাই পুজো ঘিরে আনন্দ-উচ্ছ্বাসের ধরন আলাদা হলেও তার কমতি নেই কারও মনেই।

এই প্রতিবেদনটি ‘আনন্দ উৎসব’ ফিচারের একটি অংশ।

Anirban Bhattacharya Durga Puja

সঠিক খবর পেতে গুগ্‌লে বেছে নিন আনন্দবাজার ডট কম

ফলো করুন আমাদের মাধ্যমগুলি

Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy