পুজো মানেই জামাকাপড়, অন্দরসজ্জা থেকে শুরু করে সাজপোশাকেও নতুন মোড়ক। উৎসবের আগে নিজের লুকে সামান্য বদল আনার ইচ্ছে কার না থাকে। বিশেষ করে এই সময় চুল নিয়ে ‘চুলোচুলি’র-ও শেষ নেই! আপনিও যদি শেষ মুহূর্তে চুল নিয়ে নানা পরীক্ষা-নিরীক্ষা করার কথা ভাবেন, তা হলে এখনই সাবধান হন। শেষ মুহূর্তের ভুলে গোটা পুজোজুড়েই কিন্তু আফসোসের সীমা থাকবে না। নতুন লুকের পরিকল্পনা থাকলেও এড়িয়ে চলুন এই ভুলগুলি।
১। চুল কাটতে গিয়ে একেবারে নতুন কিছু পরীক্ষা করার কথা ভাববেন না। পুজোর আগে এমন কোনও কায়দায় চুল কাঁটা উচিতই নয়, যে কায়দা আগে করেননি। ‘ব্যঙ্গস্’ বা ‘লেয়ার’ কাট করানোর আগেও একবার ভেবে নিন। হতেও পারে এটি আপনার মুখের সঙ্গে মানানসই লাগল না। পুজোর আগে তা ঠিক করার সুযোগও পাবেন না।
২। নতুন কোনও রাসায়নিক ‘ট্রিটমেন্ট’ শেষ মুহূর্তে করার প্রয়োজন নেই। ‘কেরাটিন’, ‘স্মুদনিং’ অথবা ‘রিবন্ডিং’-এর মতো বিষয় বাজারে জনপ্রিয় হলেও সেটি আপনার চুলের জন্য উপযুক্ত না-ও হতে পারে। উপরন্তু এই ‘ট্রিটমেন্ট’গুলির পর চুলের যত্নের জন্য সঠিক নিয়মের প্রয়োজন হয়, পুজোর আগে সেটি সঠিক ভাবে পালন করতে পারবেন তো?
৩। পুজোর আগে চুল ঝলমলে করার জন্য একসঙ্গে অনেকগুলি প্রসাধনী কিনে ফেলছেন? এমনটা না করাই শ্রেয়। বিশেষ করে নতুন কোনও সামগ্রী চুলের এবং চুলের ত্বকের ক্ষেত্রে অস্বস্তির কারণও হয়ে দাঁড়াতে পারে।
৪। পুজোর আগে অতিরিক্ত ‘হিট স্টাইলিং’ এড়িয়ে চলুন। এতে চুল আরও শুষ্ক, রুক্ষ এবং ক্ষতিগ্রস্থ হয়ে পড়তে পারে। পুজোর ক’দিন চুলে তাপ দেওয়ার প্রয়োজন হলেও আগেভাগেই প্রোটেক্ট্যান্ট স্প্রে ব্যবহার করতে ভুলবেন না।
৫। পুজোর আগে চুল রং করার ইচ্ছা হতেই পারে। তবে এর আগে কখনও রং না লাগালে উৎসবের মাত্র কয়েকদিন আগে চুল নিয়ে বিশেষ পরীক্ষা করতে যাবেন না। পছন্দের শেডটি চুলের সঙ্গে কতটা মানানসই হবে, তা আগে থেকে বোঝা কঠিন। পাশাপাশি রং করার পর চুলের ধরনেও কিছুটা পরিবর্তন আসতে পারে এমনকি চুল ক্ষতিগ্রস্থ হওয়ার সম্ভাবনাকেও এড়িয়ে যাওয়া যায় না।
পুজোর আগে নতুন লুক মানেই, চুলের ক্ষেত্রে খুব বড়সড় রদবদল না আনাই শ্রেয়। কেশসজ্জা মানানসই না হলে গোটা সাজটাই কিন্তু হতে পারে মাটি।
এই প্রতিবেদনটি 'আনন্দ উৎসব' ফিচারের একটি অংশ।