দেখতে আধুনিক ক্যাফে হলেও মননে খাঁটি বাঙালিয়ানা। ঐতিহ্য আর আধুনিকতার মেলবন্ধনেই এ বারের দুর্গাপুজোয় প্রস্তুত ‘সেরা ক্যাফে’। শহরের অলিন্দে সেক্টর ফাইভে 'রুফটপ'-এ বসে পুজোর দিনগুলো অন্য ভাবে কাটানোর সুযোগ দিতে তাদের বিশেষ আয়োজন—‘সেরা স্বাদে শারদীয়া’। বাইরের দিকে তাকালে দেখা মিলবে গোটা শহরের। সন্ধে নামতেই শহরজোড়া আলোর রোশনাই, আগমনীর চেনা সুর আর উৎসবের আমেজেও বছরভরের ক্লান্তি হবে দূর। পুজোর ভিড়ভাট্টা যদি আপনার একান্তই পছন্দ না হয় তবে এই পুজোয় সঙ্গীর সঙ্গে এ খানেই কাটাত পারেন কয়েক ঘণ্টা।
রসনাতৃপ্তির জন্য 'সেরা ক্যাফে' নিয়ে এসেছে উৎসবের 'বিশেষ' বুফে। খরচ পড়বে মাত্র ৯৪৯ টাকা (শর্ত প্রযোজ্য)। ঐতিহ্যবাহী বাঙালি স্বাদের ৪০টিরও বেশি পদের সমাহার থাকছে এই তালিকায়। তার মধ্যে রয়েছে কাজবাড়ির সিগনেচার তপসে ফ্রাই, শিলনোড়ায় বাটা চিংড়ি চপ, মুরশিদাবাদি কালা ভুনা পাঁঠারর মাংস, কাঁচালঙ্কা সর্ষে পমফ্রেট এবং ভেটকি মাছের ব্যালোটিন। নিরামিষাশীদের জন্য রয়েছে এঁচোড়ের কালিয়া, ঠাকুমার হাতের ভাপা ছানার পাতুরির মতো নানা সুস্বাদু পদ। থাকছে বিভিন্ন বাঙালি মিষ্টিও। খোলা থাকবে রাত ১টা পর্যন্ত।
বুফের পাশাপাশি রয়েছে ‘আ লা কার্ট’ মেনুর ব্যবস্থাও। ডাব মালাই চিংড়ি, ঠাকুরবাড়ির পোস্ত মটন কোর্মা, নদিয়া পাবদা তেল ঝালের পাশাপাশি মিলবে চেলো কাবাব, পোলো আলা স্ক্যালোপিনি কিংবা কলকাতা স্টাইল গ্রিল্ড ভেটকির মতো পদ।
উৎসবের উদযাপনে ভিন্ন স্বাদ আনতে থাকছে বিশেষ পানীয়ের তালিকা। ‘ধুনুচি ২.০’, ‘গন্ধরাজ রেভরি’, ‘ওরিও নলেন গুড়ের শেক’-এর মতো হাতে তৈরি মকটেল ছাড়াও মিলবে ‘শিউলি ব্লসম’ ও ‘আড্ডা প্যান্ডেল পাঞ্চ’-এর মতো হরেক স্বাদের পানীয়। প্রতি সন্ধ্যায় থাকছে লাইভ মিউজিকের আসর।
আরও পড়ুন:
পরম্পরা না কি আধুনিক জীবনযাপন? বাছবিচার না করে দুইয়ের আনন্দ একসঙ্গে উপভোগ করতেই এই শারদীয় আয়োজন। পুজোর ভিড়ে মিশে যাওয়া আবার সেই ক্লান্তি কাটিয়ে একটু নিভৃতে সময় কাটানো, শহরের ঝলমলে আলোর মাঝে এই দুই অভিজ্ঞতাই দিচ্ছে 'সেরা ক্যাফে।'
এই প্রতিবেদনটি ‘আনন্দ উৎসব’ ফিচারের একটি অংশ।