কালীপুজো আলোর উৎসব। আর কিছু দিন পরেই আতসবাজির রোশনাই আর আলোর মালায় সেজে উঠবে চারদিক। তবে, এই আলো আর আনন্দের মধ্যেই লুকিয়ে থাকে মস্ত বিপদ। বাজির ধোঁয়া। যে ধোঁয়ার সরাসরি প্রভাব পড়ে পরিবেশে উপর। শুধু তাই নয়, আমাদের অজান্তেই বিষাক্ত ধোঁয়ার প্রভাব পড়ে আমাদের চুল ও ত্বকেও।
বাজির ধোঁয়ার মধ্যে থাকা সূক্ষ্ম কণা ও বিভিন্ন পদার্থ ত্বকে জ্বালা, শুষ্কতা এবং সংবেদনশীলতা বাড়াতে পারে। চুলেও জমতে পারে ধোঁয়া ও নানা দূষিত কণা। এর ফলে চুল রুক্ষ ও নিষ্প্রাণ দেখাতে পারে। সেই কারণেই উৎসবের আনন্দের পাশাপাশি ত্বক ও চুলের যত্ন নেওয়াও জরুরি। তাই কালীপুজোর আগেই জেনে নিন বাজির ধোঁয়া থেকে চুল ও ত্বকের ক্ষতি এড়ানোর টোটকা।
চুলের যত্নে কোন বিষয়গুলি মাথায় রাখবেন?
বাজি পোড়ানোর আগে স্কার্ফ বা ওড়না দিয়ে চুল ঢেকে রাখতে পারেন। এতে চুলে ধোঁয়া ও দূষিত কণা জমার সম্ভাবনা কমবে। বাইরে থেকে এসেই শ্যাম্পু দিয়ে চুল ধুয়ে নিন। চুল ধোয়ার পর কন্ডিশনার বা সিরাম ব্যবহার করলে চুলের রুক্ষতা কমাতেও সাহায্য করে। উৎসবের সময় চুলে বারবার স্ট্রেটনার, কার্লার বা অতিরিক্ত গরম হেয়ার ড্রায়ার ব্যবহার না করাই ভাল। এতে চুল আরও শুষ্ক হয়ে পাশাপাশি চুল ভেঙে যাওয়ারও সম্ভাবনা বেড়ে যায়। পাশাপাশি, এইসময় মাথার ত্বকে জ্বালা হলে সতর্ক থাকুন। চুলকানি, লালচে ভাব বা জ্বালাপোড়া হলে নতুন হেয়ার প্রোডাক্ট ব্যবহার বন্ধ করুন। সমস্যা স্থায়ী হলে চর্মরোগ বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।
ত্বককে সুরক্ষিত রাখতে কী করবেন?
এইসময় বাইরে বেরোনোর আগে অবশ্য়ই ত্বকে ময়েশ্চারাইজার লাগান। ত্বকের ধরন অনুযায়ী ময়েশ্চারাইজার ব্যবহার করুন। এটি আর্দ্র ও স্বাস্থ্যকর থাকবে। দিনের বেলায় বাইরে বেরোলে সানস্ক্রিন ব্যবহার করুন। ধোঁয়া ও ধুলোবালির সংস্পর্শে আসার পর বাড়ি ফিরে মৃদু ক্লিনজার দিয়ে মুখ পরিষ্কার করুন। বারবার মুখ ধোয়া, অতিরিক্ত স্ক্রাবিং বা শক্তিশালী রাসায়নিকযুক্ত প্রসাধনী ব্যবহার এড়িয়ে চলুন।
আরও পড়ুন:
এই প্রতিবেদনটি ‘আনন্দ উৎসব’ ফিচারের একটি অংশ।