নাকে চাপ দিয়ে ব্ল্যাকহেড্স বের করেন? অজান্তেই বিরাট ক্ষতি, এখনই সাবধান না হলে কী কী সমস্যা হতে পারে?
ব্ল্যাকহেড্সের সমস্যায় ভোগেন অনেকেই। ত্বকের যে অংশ দিয়ে তেল নিঃসরণ হয় সেই রন্ধ্রপথেই তেল জমে যায়। মৃত কোষ জমে তৈরি হয় ব্ল্যাকহেড্স।
ব্ল্যাকহেড্সের সমস্যায় ভোগেন অনেকেই। ত্বকের যে অংশ দিয়ে তেল নিঃসরণ হয় সেই রন্ধ্রপথেই তেল জমে যায়। মৃত কোষ জমে তৈরি হয় ব্ল্যাকহেড্স। অনেকেই এগুলো তুলতে পার্লারে যান।
আবার অনেকেই হাতে চাপ দিয়ে বাড়িতেই এই ব্ল্যাকহেড্স বের করার কেরামতি দেখিয়ে ফেলেন। আর তাতেই সমস্যা! অজান্তেই বিপদ ঘনাতে পারে
হতে পারে নানা সংক্রমণ। হাতে থাকা নখের আঁচড়ে ওই ব্ল্যাকহেড্স পরিণত হতে পারে সিস্টেও।
নখ দিয়ে বা হাতের কোনও অংশের চাপে ত্বকের টিস্যু ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে। যার ফলে চামড়ায় কালো দাগ তৈরি হতে পারে।
আরও পড়ুন:
হাত দিয়ে ব্ল্যাকহেড্স দূর করলে হাতে থাকা জীবাণু চামড়ায় প্রবেশ করে প্রদাহের সম্ভাবনা বাড়িয়ে দেয়।
ত্বকে চাপ পড়ার ফলে তেলের সিবাম উৎপাদন বেড়ে যেতে পারে নিমেষেই যা মোটেও সুস্থ ত্বকের ইঙ্গিত নয়।
তবে ঘরোয়া উপায়ে যে স্ক্রাব তৈরি করা যায় তাতে ব্রণ, ব্ল্যাকহেডস ও হোয়াইট হেডস বার করা সম্ভব। অনেকেই এই স্ক্রাব নিতে পার্লারেও যান।
এর জন্য নিতে পারেন এই উপকরণগুলি। ১ চামচ সৈন্ধব লবণ, ১ চামচ লেবুর রস মিশিয়ে এই মিশ্রণ তৈরি করুন। তারপর যেখানে যেখানে ব্ল্যাকহেডস রয়েছে সেখানে সেখানে ঘষুন।
আরও পড়ুন:
এছাড়াও আপনি নিতে পারেন বেকিং সোডা। এর সাথে লেবুর রস দিয়ে কাঁচা দুধ দিয়ে এই মিশ্রণ বানাতে পারেন। তারপর তা মুখে লাগিয়ে রেখে দিন ৫ মিনিট। এরপর জল দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। তবে এই সব উপাদান আপনার ত্বকের জন্য অনুকূল কিনা তা জানার জন্য প্যাচ পরীক্ষা খুব জরুরি।
কী এই পরীক্ষা? প্রথমে কিছুটা প্যাক হাতের একটি জায়গায় লাগিয়ে দেখুন তা থেকে কোনও প্রদাহ হচ্ছে কি না, না হলে তবেই সারা মুখে লাগান।
ত্বক স্পর্শকাতর হলে বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন। টোটকা সাময়িক ভাবে সাহায্য করলেও দীর্ঘস্থায়ী প্রভাব দেয় না। (এই প্রতিবেদনটি ‘আনন্দ উৎসব’ ফিচারের একটি অংশ।)