নিজের বাড়ি হলে পুজোর আগে যেমন খুশি সাজানো সম্ভব। কিন্তু যদি ভাড়াবাড়িতে থাকেন সে ক্ষেত্রে বাড়িওয়ালার হাজারও নিষেধ। তাই বলে কি পুজোর আগে ঘর সাজাবেন না? বাড়ির রং না বদলে, দেওয়ালে পেরেক না ঠুকেও এই উপায়ে সাজিয়ে নিন মনের মতো।
পর্দার বদল
পর্দা কিন্তু ঘর সাজানোয় বেশ কার্যকরী। নতুন কিনবেন না? কোনও ব্যাপার নয়। অদলবদল হতেই পারে। ভারি পর্দায় আলো ঢোকে না। হালফিলের ট্রেন্ড বলছে বেছে নেন হালকা রং। জানলায় রাখুন গাছের টব। সাজে যোগ হবে সতেজতা।
পেরেক কেন?
দেওয়ালে ঝোলাতে ইচ্ছে করছে নতুন ফটোফ্রেম? চিন্তা করবেন না, পেরেক না ঠুকেও 'নকল পেরেক' পাওয়া যায় এখন বাজারে। পেরেক সদৃশ হলেও ঠোকাঠুকির বালাই নেই। পোশাকি নাম ‘কমান্ড হুক’ বা ‘নো-ড্যামেজ মাউন্টিং টেপ’। দেওয়ালে গর্ত না করে ছবি, হালকা জিনিস ঝোলানোর জন্য বিশেষ উপযোগী।
সেজে উঠুক মেঝে
দরজার সামনে বা খালি মেঝেতে আলপনা দিতে পারেন। স্থায়ী আলপনার পরিবর্তে খড়িমাটির আলপনাতেই ফেরান বাঙালিয়ানা। বাড়িওয়ালাও কুপিত হবেন না। ছোট পাত্রে জল ভরে তার মধ্যে ফুল রেখে চারপাশে প্রদীপ দিয়ে সাজিয়েও তৈরি করে নিতে পারেন উৎসবের মেজাজ।
আলোর কারসাজি
ওয়ার্ম লাইট অর্থাৎ হলুদ রঙের আলো এখন বেশ চলছে। কিনে আনতে পারেন বাহারি টেবিল ল্যাম্প, টুনি দিয়ে তৈরি হ্যারিকেন। সন্ধের পর জ্বালিয়ে রাখলে বাড়িটাই যে আস্ত মণ্ডপ।
টেবিলের সাজ বদলান
বসার ঘরের টেবিলটাও কিন্তু বেশ গুরুত্বপূর্ণ। ছোট ফুলদানি রাখতে পারেন। কিনতে পারেন টেবিল ঢাকার বাহারি কাপড়ও। এতে সাজে বদল আসবে। দূর হবে একঘেয়েমি।
বাটিকে বাজিমাত
দেওয়ালে টাঙিয়ে দিতে পারেন হালকা সুতির রঙিন ট্যাপেস্ট্রি, বাটিকের কাপড় বা ম্যান্ডালা প্রিন্ট। হালকা ওজন হওয়ায় এ গুলো সামান্য ক্লিপ বা মাস্কিং টেপ দিয়েই জানলার গ্রিল বা সিলিং থেকে ঝুলিয়ে দেওয়া যায়।
ভাড়া বাড়িতে থাকলে ঘর সাজানোর ক্ষেত্রে খানিক বুদ্ধি প্রয়োজন। বড় বাজেটের দরকার নেই। ঘরেই যে জিনিস রয়েছে তা দিয়েও আনুন বদল। খাট, আলমারির জায়গা বদলে দিলেও ঘর অন্যরকম দেখাবে। পুজো আসছে তাই নিজেকে সাজানোর পাশাপাশি সাজুক আপনার সাধের ঘরটিও।
এই প্রতিবেদনটি ‘আনন্দ উৎসব’ ফিচারের একটি অংশ।