Health Partner
Comfort Partner
Knowledge Partner

চোরবাগানের মর্মান্তিক ঘটনার আবহে চেতলাতেও উদ্বেগ! ভিড়ে পড়ে পা মচকালেন স্থানীয়, কী পদক্ষেপ ক্লাব কর্তৃপক্ষের?

চোরবাগানের ঘটনার আবহে চেতলার পুজোতেও ভিড় ও যান চলাচল নিয়ে উদ্বেগ। কমিটির সহ-সচিব সুমিতা ভট্টাচার্যের দাবি, পরিস্থিতির বদল হয়নি। ভিড়ের চাপে পড়ে এক স্থানীয় বাসিন্দার পা মচকে গিয়েছে।

আনন্দ উৎসব ডেস্ক

শেষ আপডেট: ১৮ অক্টোবর ২০২৬ ১৪:২৪
চোরবাগানের পর উদ্বেগজনক পরিস্থিতি চেতলাতেও

চোরবাগানের পর উদ্বেগজনক পরিস্থিতি চেতলাতেও

সপ্তমীর সন্ধ্যা। উৎসবের এমন মর্মান্তিক রাত হয়তো কল্পনাও করেননি শহরবাসী। চোরবাগান সর্বজনীনের মণ্ডপে পদপিষ্ট হয়ে মৃত্যুর ঘটনায় রাতারাতি ফিকে হয়ে গিয়েছে পুজোর জৌলুস। উপচে পড়া ভিড়, বিশৃঙ্খলা, তার সঙ্গে বৃষ্টি— সব মিলিয়ে উদ্বেগের আবহ। এরই মধ্যে ভিড় সামলানো নিয়ে প্রশ্ন উঠছে চেতলা সর্বসাধারণের দুর্গোৎসব কমিটির পুজো ঘিরেও। কলকাতা পুলিশের গাইড ম্যাপে এত বছর জায়গা না পাওয়ায় যাতায়াত ও যান চলাচল নিয়ে সমস্যায় পড়তে হয়েছে কমিটিকে। চলতি বছরে অবশেষে সেই ম্যাপে জায়গা মিলেছে। কিন্তু তাতে কি পরিস্থিতির কোনও বদল হয়েছে? অন্তত কমিটির দাবি, ছবিটা এখনও একই।

এর আগে আনন্দবাজার ডট কম-এর কাছে পুজো সংক্রান্ত আলোচনায় কমিটির সহ-সচিব সুমিতা ভট্টাচার্য জানিয়েছিলেন, চলতি বছর নতুন সরকারের কাছ থেকে এই বিশেষ স্বীকৃতি পাওয়ায় তিনি আশাবাদী। কিন্তু সপ্তমীর সন্ধ্যায় এক দিকে চোরবাগানে জনজোয়ার, অন্য দিকে প্রায় একই রকম ভিড় চেতলা সর্বসাধারণের পুজো চত্বরেও। আনন্দবাজার ডট কম-এর তরফে ফের যোগাযোগ করা হলে সুমিতার সাফ কথা, “পরিস্থিতি কিছুই বদলায়নি। খুবই অসুবিধা হচ্ছে। আজ থেকে কী অবস্থা হবে আমরা জানি না। কিন্তু গতকাল পর্যন্ত একই রকম ভিড় সামাল দিতে হয়েছে আমাদের।” পাশাপাশি তিনি জানান, দুর্ঘটনার শিকার হয়েছেন স্থানীয় বাসিন্দারাও। সুমিতা বলেন, “গাড়িগুলি এমন ভাবে রাস্তার উপর চলে আসছে যে মানুষ ভয় পাচ্ছেন। আমাদের পাড়ার একজন পড়ে তাঁর পা মচকে গিয়েছে। গত বৃহস্পতিবারের ঘটনা এটি।”

এই পরিস্থিতিতে আলিপুর থানার দ্বারস্থ হয়েছে কমিটি। সুমিতার কথায়, “আমাদের নিরাপত্তারক্ষীরা বিষয়টিকে সামাল দিতে পারছেন না। আমরা আমাদের আবেদন রাখছি। অভিযোগ জানাচ্ছি। কিন্তু খুব একটা তা ফলপ্রসূ হচ্ছে না। আমি জানি না আজকের পরের পরিস্থিতি কেমন হবে।”

শনিবারের মর্মান্তিক ঘটনা প্রসঙ্গে দুঃখপ্রকাশ করতে গিয়েও উদ্বেগ গোপন করেননি সুমিতা। তাঁর বক্তব্য, “এত বড় পুজো। মানুষের ভিড় হওয়াটাই স্বাভাবিক। যা শুনলাম, মণ্ডপটি নাকি খুবই জনবহুল জায়গায় তৈরি করা হয়েছিল। আগেভাগেই এই বিষয়টি খতিয়ে দেখা উচিত ছিল পুলিশের। একই বিষয় চেতলা অগ্রণীর ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য। এই দুর্ঘটনা মন থেকে মেনে নিতে পারছি না। আমার নিজের সন্তানের বয়সি একজনের মৃত্যুর খবর পেয়েছি। এত তরতাজা প্রাণেদের অকালে চলে যাওয়া খুবই দুঃখজনক।”

চোরবাগানের মর্মান্তিক ঘটনা উৎসবের নিরাপত্তা নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন তুলেছে। চেতলার পুজোতেও ভিড় সামলানো ও যান চলাচল নিয়ে কমিটির উদ্বেগ স্পষ্ট। উৎসবের আনন্দ যাতে কারও বিপদের কারণ না হয়ে ওঠে, সেই প্রশ্নই এখন বড় হয়ে দেখা দিচ্ছে।

এই প্রতিবেদনটি 'আনন্দ উৎসব' ফিচারের একটি অংশ।

সঠিক খবর পেতে গুগ্‌লে বেছে নিন আনন্দবাজার ডট কম

ফলো করুন আমাদের মাধ্যমগুলি

Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy