মাথায় ঘুরপাক খাচ্ছে অভিনব সব ‘স্টার্ট আপ’-এর আইডিয়া। কিন্তু ‘ব্লু প্রিন্ট’ রয়ে গিয়েছে ল্যাপটপের ফাইলেই! না, সেই সব দিন শেষ। এ বার স্বপ্নগুলির কেবল ডানা মেলার অপেক্ষা। আর তাতেই ইন্ধন জগাচ্ছে ‘এআইসি টেকনো’। তবে হাতে সময় কিন্তু বড়ই কম। এই তারিখের মধ্যে আবেদন না করলেই সুযোগ হবে হাতছাড়া! ভেবে দেখুন, এমন সুযোগ কিন্তু বারবার আসে না।
টেকনো ইন্ডিয়া ইউনিভার্সিটির উদ্যোগে এবং অটল ইনোভেশন মিশন (এআইএম), নীতি আয়োগ, ভারত সরকার-এর সহায়তায় গড়ে ওঠা ‘এআইসি টেকনো’র লক্ষ্য হল আগামী পাঁচ বছরে ৫০০ টির-ও বেশি স্টার্ট আপকে সফলভাবে গড়ে তোলা। শুধু অফিস স্পেস নয়, একটি আইডিয়াকে বাস্তব ব্যবসায় রূপ দিতে যা যা প্রয়োজন, তার প্রায় সব ধরনের সহায়তার জন্যেই হাত বাড়িয়েছে এটি। তা হলে আর দেরি কেন? এ বার সুযোগ আপনার সামনেও। আগামী ২০ জুলাইয়ের মধ্যেই শেষ করতে হবে আপনার ‘স্টার্ট আপ’-এর আবেদন প্রক্রিয়া। কেবল কলকাতা এবং পশ্চিমবঙ্গ নয়, দেশের যে কোনও প্রান্তে বসেই আবেদন করতে পারবেন উদ্যোক্তারা। ‘ভার্চুয়াল ইনকিউবেশন’এর সুবিধার্থে সেটিও সম্ভব। যাত্রার শুরু থেকে সফল ব্যবসা হিসেবে ‘স্টার্ট আপ’টিকে দাঁড় করানো পর্যন্ত প্রতিটি ধাপে উদ্যোক্তাদের পাশে থাকার লক্ষ্য নিয়েই কাজ করছে এই ‘এআইসি টেকনো’। কোনও নতুন ধারণা যাচাই করা থেকে শুরু করে তার প্রোটোটাইপ তৈরি, বাজারে নিয়ে আসা অথবা ব্যবসাটিকে আরও বড় পরিসরে নিয়ে যাওয়া—প্রতিটি ক্ষেত্রেই ছায়াসঙ্গীর মতো রয়েছে এই সংস্থা।
কলকাতার ‘অফবিট সিসিইউ’তে অবস্থিত ‘এআইসি টেকনো’র এই ক্যাম্পাসে রয়েছে আধুনিক কো-ওয়ার্কিং স্পেস, এআই ও প্রোডাক্ট ল্যাব, মিডিয়া ও ডিজ়াইন স্টুডিও, পডকাস্ট স্টুডিও, প্রোটোটাইপিং সুবিধা, বিজনেস ক্লিনিক এবং উচ্চগতির ডিজিটাল অবকাঠামো, যেখানে স্টার্টআপ উদ্যোক্তারা অভিজ্ঞ মেন্টরদের পরামর্শ এবং ব্যবসায়িক দিকনির্দেশনা তো পাচ্ছেনই, সেই সঙ্গে বিনিয়োগকারীদের সামনে নিজেদের উপস্থাপনের প্রস্তুতি, তহবিল সংগ্রহে সহায়তা, কর্পোরেট সংস্থার সঙ্গে সংযোগ, বাজারে প্রবেশের সুযোগ, আইনি ও মেধাস্বত্ব সংক্রান্ত সহযোগিতা থেকে শুরু করে পণ্য যাচাই, মাস্টারক্লাস এবং নেটওয়ার্কিংয়ের মতো একাধিক সুবিধা পেয়ে থাকবেন তাঁরা।
এতেই স্পষ্ট যে ‘এআইসি টেকনো’র লক্ষ্য শুধু নতুন ‘স্টার্ট আপ’ তৈরি করা নয়, বরং এমন একটি শক্তিশালী পরিবেশ গড়ে তোলা, যাতে উদ্যোক্তারা তাঁদের উদ্ভাবনী ভাবনা নিয়ে দ্রুত বাজারে পৌঁছে যেতে পারবেন এবং নিজের ব্যবসা নিয়ে মাথা তুলে দাঁড়াতে পারবেন।
‘এআইসি টেকনো’র চিফ মেন্টর মেঘদূত রায়চৌধুরী বিশ্বাস করেন, নতুন ধারণা গড়ার ক্ষেত্রে পিছিয়ে নেই বাংলাও। তিনি বলেন, “এটি শুধুমাত্র একটি ইনকিউবেশন সেন্টারের উদ্বোধন নয়। এটি একটি দশ বছরের স্বপ্নপূরণ এবং বাংলার উদ্ভাবনী শক্তির প্রতি আমাদের আস্থার বাস্তব রূপ। আমরা বাংলার উপর বিশ্বাস রেখেছিলাম, আর আজ সেই বিশ্বাসই বাস্তবে পরিণত হয়েছে।”
অন্যদিকে, সহমত পোষণ করেন সোশ্যাল ইনোভেশন ভার্টিক্যাল হেড পলিন লারাভোয়ারও। তাঁর মতে, বাংলায় প্রতিভা ও সুযোগের অভাব কোনওদিনই ছিল না। কেবল প্রয়োজন ছিল সঠিক প্ল্যাটফর্মের। আর তার ‘সেতুবন্ধন’ হিসেবেই কাজ করছে ‘এআইসি টেকনো’। তাই যদি আপনার কাছেও থাকে এমন কোনও উদ্ভাবনী ভাবনা, যা আগামী দিনে বড় ব্যবসায় পরিণত হতে পারে, তাহলে আর দেরি না করে এখনই আবেদন করুন। মনে রাখবেন, আবেদন জমা দেওয়ার শেষ দিন ২০ জুলাই ২০২৬। নির্বাচিত ‘স্টার্ট আপ’গুলি আগামী আগস্ট মাসের ইনকিউবেশন কোহর্টে যোগ দিয়ে সুযোগ পাবে আকাশ ছোঁয়ার।
ঘুরে আসতে পারেন ‘www.aic-techno.com’-এর ওয়েবসাইটে।
অথবা যোগাযোগ করতে পারেন +৯১ ৭৮৯০০ ১০৫৩৭ নম্বরে অথবা ‘marcom@aic-techno.com’ ইমেল মারফত-ও। এটি একটি স্পনসর্ড প্রতিবেদন। এই প্রতিবেদনটি 'এআইসি টেকনো'র সঙ্গে এবিপি ডিজিটাল ব্র্যান্ড স্টুডিয়ো দ্বারা যৌথ উদ্যোগে প্রকাশিত।