প্রযুক্তি শিক্ষার প্রকৃত সাফল্য তখনই পূর্ণতা পায়, যখন শ্রেণিকক্ষের জ্ঞান শিক্ষার্থীদের পেশাগত জীবনেও এগিয়ে যাওয়ার সুযোগ তৈরি করে। সেই লক্ষ্য নিয়েই ছাত্রছাত্রীদের ভবিষ্যতের জন্য তৈরি করতে উদ্যত ‘নেতাজি সুভাষ ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ’। এ বার তার সঙ্গেই বিশেষভাবে সহযোগিতার হাত বাড়াল ‘টাটা কনসালট্যান্সি সার্ভিসেস’। আগামী ২৩ জুলাই, ২০২৬ ‘এনসিইসি’তে অনুষ্ঠিত হতে চলেছে ‘টিসিএস’-এর বিশেষ অন-ক্যাম্পাস রিক্রুটমেন্ট ড্রাইভ। এটি আয়োজিত হচ্ছে শুধুমাত্র ‘এনএসইসি’র ছাত্রছাত্রীদের জন্যেই। কেবলমাত্র ডিগ্রি অর্জনই নয়, ছাত্রছাত্রীরা তৈরি হবেন ভবিষ্যতের কর্মক্ষেত্রের জন্যেও।
১৯৯৮ সালে প্রতিষ্ঠিত ‘এনএসইসি’ হল টেকনো ইন্ডিয়া গ্রুপের প্রথম কলেজ। তারপর দীর্ঘ ২৮ বছরের পথচলা। তাদের শিক্ষাগত ঐতিহ্য আজও উজ্জ্বল করে রেখেছে প্রতিষ্ঠানটির নাম। অভিজ্ঞ শিক্ষক-শিক্ষিকা, আধুনিক পরীক্ষাগার, গবেষণা এবং উদ্ভাবনের উপযুক্ত পরিবেশ, ইন্ডাস্ট্রি-সংযুক্ত পাঠক্রম এবং সক্রিয় ট্রেনিং ও প্লেসমেন্ট সেল শিক্ষার্থীদের সার্বিক বিকাশের জন্য তৈরি করেছে এমনই একটি শিক্ষাঙ্গন।
এখানেই শেষ নয়। এখানকার অ্যাপ্টিটিউড ট্রেনিং প্রোগ্রাম, কোডিং অনুশীলন, গ্রুপ ডিসকাশন, মক ইন্টারভিউ, কমিউনিকেশন এবং স্কিল ডেভেলপমেন্ট কর্মসূচী ছাত্রছাত্রীদের আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে তৈরি করে কর্মজীবনের জন্য। এ ছাড়াও ‘এআইসিটিই’ অনুমোদিত, ‘ম্যাকাউট’-এর অধিভুক্ত এবং ‘ন্যাক’ ও ‘এনবিএ’ স্বীকৃত ‘এনএসইসি’-তে রয়েছে আধুনিক প্রযুক্তি-নির্ভর শিক্ষা ও একাধিক কোর্সের সুযোগ। এর পাশাপাশি চাকরির সুযোগ আসলে ক্ষতি কী! ‘টিসিএস’-এর মতো প্রতিষ্ঠানের অন-ক্যাম্পাস রিক্রুটমেন্ট ড্রাইভ যদিও শুধু চাকরির সুযোগ নয়, ছাত্রছাত্রীদের প্রস্তুতি ও স্বপ্নকে বাস্তব রূপ দেওয়ারও একটি প্রচেষ্টা। এই মুহূর্তে চলছে ভর্তির প্রক্রিয়া। বিস্তারিত জানতে ঘুরে আসতে পারেন ওয়েবসাইট ‘www.nsec.ac.in’-এ অথবা যোগাযোগ করতে পারেন ৯৮৩১৮ ১৭৩০৭ নম্বরে।
এটি একটি স্পনসর্ড প্রতিবেদন। এই প্রতিবেদনটি 'এনএসইসি'র সঙ্গে এবিপি ডিজিটাল ব্র্যান্ড স্টুডিয়ো দ্বারা যৌথ উদ্যোগে প্রকাশিত।