বিছানায় শুয়ে ঘুম আসে না। শরীর ক্লান্ত, কিন্তু দু’চোখের পাতা এক হয় না। এই সমস্যা আর এক-আধজনের সমস্যায় সীমাবদ্ধ নেই। অসুখের পর্যায়ে চলে গিয়েছে। গত ক’দিন পুজোর ধকলে ঘুমের সমস্যা আরও বেড়েছে অনেকের। ঘুমের সমস্যা ওষুধে নিরাময় হয় না। তার জন্য জীবনধারায় বদল দরকার। যেমন, সঠিক সময়ে খাওয়া, রোজ একই সময়ে ঘুমোতে যাওয়া, ঘুমের অন্তত ঘণ্টাদুয়েক আগে মোবাইল-ট্যাব থেকে দূরে থাকা ইত্যাদি। তবে চটজলদি যদি অনিদ্রার সমস্যা থেকে রেহাই পেতে হয়, তা হলে নির্দিষ্ট কিছু আসন অভ্যাস করা জরুরি।
বিপরীত করণী
প্রথমে চিত হয়ে শুয়ে পড়ুন। তার পর পা দু’টি জোড়া করে উপরের দিকে তুলুন। নিতম্ব দু’হাতের চেটো দিয়ে ঠেলে উপরের দিকে তুলতে চেষ্টা করুন। কোমর এবং পা যেন সোজা থাকে। পা শূন্যে তোলার পর শ্বাসপ্রশ্বাস যেন স্বাভাবিক থাকে। ওই অবস্থায় থেকে মনে মনে এক থেকে দশ পর্যন্ত গুনতে হবে। তার পর আবার স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরে আসতে হবে। বিছানায় শুয়ে দেওয়ালে ভর দিয়েও আসনটি করতে পারেন।
আরও পড়ুন:
আনন্দ বালাসন
হাত ও পা ছড়িয়ে বিছানায় পিঠ ঠেকিয়ে শুয়ে পড়ুন। এ বার হাঁটু মুড়ে পেটের কাছে নিয়ে আসুন। হাত দু’টি প্রসারিত করে পায়ের পাতা দু’টি ধরুন। হাঁটু দু’টির মধ্যে যেন বেশ খানিকটা দূরত্ব থাকে। এ ভাবে ৬০ সেকেন্ড থাকুন। শরীরের যাবতীয় ক্লান্তি দূর করবে এই আনন্দ বলাসন। পিঠের পেশির স্ট্রেচিংয়েও সাহায্য করবে।
ভস্ত্রিকা প্রাণায়াম
পিঠ সোজা রেখে বসুন। এ বার গভীর ভাবে শ্বাস টানুন। কিছু ক্ষণ ধরে রেখে শ্বাস ছেড়ে দিন। প্রতি ক্ষেত্রে যতটা শ্বাস নেবেন, ততটাই ছাড়তে হবে। তিন থেকে ছ’মিনিট এই প্রাণায়ামটি করা উচিত। শ্বাসকষ্ট, হাঁপানি, সাইনাসের সমস্যা থাকলে এই প্রাণায়াম দারুণ উপকারী।