রোগা হতে চাইলে পরিশ্রম করতেই হবে। অনেকে তা করেও থাকেন। জিমে যাওয়া, বাড়িতে শারীরচর্চা করা, নিয়ম মেনে খাওয়াদাওয়া— রোজের রুটিনে এগুলি মেনে চলেন কড়া নিয়ম মেনে। অথচ এত কিছুর পরেও মনের মতো ফল না পাওয়া গেলে তখন আবার শুরু হয় হতাশা। অনেকেই তাতে ধৈর্য এবং উৎসাহ— দুই-ই হারিয়ে ফেলেন। চিকিৎসকেরা বলছেন, থাইরয়েডের সমস্যা থাকলে ওজন সহজে কমে না। আরও নানা সমস্যাও দেখা দিতে থাকে। এই সময়ে তাই কেবল ওষুধ খেলে কাজ হবে না। নিয়ম করে কিছু ব্যায়ামও করতে হবে। রোজ সকালে তিন ধরনের আসন অভ্যাস করলে থাইরয়েডের সমস্যা নিয়ন্ত্রণে আসবে।
হলাসন
প্রথমে চিত হয়ে শুয়ে পড়ুন। এ বার কোমরে ভর দিয়ে পা দু’টি ধীরে ধীরে উপরে তুলুন। পা যেন ৯০ ডিগ্রি কোণে থাকে। হাতের তালুতে চাপ দিয়ে পা দু’টিকে মাথার উপর দিয়ে পিছনের দিকে নিয়ে যান। এ বার পিঠ ধীরে ধীরে মাটি থেকে এমন ভঙ্গিতে তুলুন যাতে পায়ের আঙুলগুলি মাটি স্পর্শ করে। ২০ সেকেন্ড ওই ভঙ্গিতে থেকে আগের অবস্থানে ফিরে আসুন।
আরও পড়ুন:
ভুজঙ্গাসন
মেঝেতে উপুড় হয়ে শুয়ে পড়ুন। এ বার হাতের তালু মেঝের উপর ভর দিয়ে পাঁজরের দু’পাশে রাখুন। কোমর থেকে পা পর্যন্ত মাটিতে রেখে হাতের তালুর উপর ভর দিয়ে বাকি শরীর ধীরে ধীরে উপরের দিকে তুলুন। মাথা বেঁকিয়ে উপরের দিকে তাকান। এই ভঙ্গিতে ২০-৩০ সেকেন্ড থাকার পর আগের অবস্থায় ফিরে আসুন। প্রতি দিন অন্তত পক্ষে ৩-৪ বার এই আসনটি করতে পারেন। পেটের মেদ ঝরাতে সাহায্য করে এই আসন।
মার্জারাসন
এর পরে যে আসনটি করলে উপকার হবে তা হল মার্জারাসন। প্রথমে মাটিতে দুই পা এবং হাতের উপর ভর দিয়ে বিড়ালের মতো ভঙ্গি করুন। পিঠ উঁচু করে মাথা ঝুঁকিয়ে শ্বাস নিন, কিছু ক্ষণ ধরে রেখে শ্বাস ছাড়ুন। এই আসন অভ্যাস করুন ৫ বার করে অন্ততপক্ষে ৫ মিনিট।