Advertisement
E-Paper

৭ দিনে ৩৩৩ কিমি সাইকেল চালিয়ে তাক লাগালেন আনন্দ পণ্ডিত, ৬৩ বছর বয়সে এমন পরিশ্রম কি নিরাপদ?

বয়স ষাটের কোঠা পেরিয়েছে। তবে প্রযোজক আনন্দ পণ্ডিতকে দেখে তা বোঝার উপায় নেই। টানা ৭ দিন ধরে ৩৩৩ কিলোমিটার সাইকেল চালিয়ে তাক লাগিয়ে দিয়েছেন তিনি। তবে এই বয়সে এমন পরিশ্রম করা কি আদৌ নিরাপদ?

আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক

শেষ আপডেট: ২৭ অক্টোবর ২০২৬ ০৯:০৪
Proving Age is Just a Number, Producer Anand Pandit Cycles 333 KM in 7 Days at 63

৬৩ বছর বয়সে ৩৩৩ কিমি সাইকেল চালিয়েছেন, কারা করতে পারেন এমন? গ্রাফিক: আনন্দবাজার ডট কম।

ষাট পেরোলে বিশ্রাম নিতে হবে এই ধারণাকে ভুল প্রমাণ করেছেন প্রযোজক আনন্দ পণ্ডিত। বয়সকে বুড়ো আঙুল দেখিয়ে নেদারল্যান্ডের ৭টি শহরে টানা ৭ দিন ধরে প্রায় ৩৩৩ কিলোমিটার পথ সাইকেলে পাড়ি দিয়ে তাক লাগিয়ে দিয়েছেন তিনি। আনন্দ জানিয়েছেন, সঠিক পরিকল্পনা এবং শারীরিক প্রস্তুতি থাকলে বার্ধক্য কখনও ফিটনেসের অন্তরায় হতে পারে না। ব্যস্ত রুটিন থেকে বিরতি নিয়ে মনের চাপ কমানোর জন্যই নেদারল্যান্ডে ছুটি কাটাতে গিয়েছিলেন আনন্দ। সেখানে গিয়ে স্থির করেন সাইকেলে চেপে ঘুরবেন। তবে তা যে এই পর্যায়ে করতে পারবেন, তা নিজেও ভাবেননি। তবে ৬৩ বছরের প্রযোজক যা করেছেন, তা কি ওই বয়সে করা নিরাপদ?

শারীরচর্চার পরামর্শ যে কোনও বয়সের ব্যক্তিকেই দেওয়া হয়ে থাকে। তবে সব বয়সেই কি এক্সারসাইজ় করা যায়? ইদানীং পঞ্চাশ পেরোলেই কোমর-পা-ঘাড় ও অন্যান্য অস্থিসন্ধির ব্যথা কাবু করে ফেলে অনেককে। অস্টিয়োআর্থ্রাইটিস, উচ্চরক্তচাপ-সহ নানাবিধ অসুখে ভোগেন বহু ষাটোর্ধ্ব। সেখানে সাইকেল চালিয়ে মাইলের পর মাইল পথ পাড়ি দেওয়া অনেকের পক্ষেই সম্ভব নয়। তবে একেবারেই কি অসম্ভব? ফিটনেস প্রশিক্ষকেরা বলছেন, গোড়া থেকেই যদি শারীরচর্চা করার বা হালকা স্ট্রেচিং করার ইচ্ছা থাকে, তা হলে অসম্ভব কিছু নয়। শুধু সঠিক পুষ্টি, হাইড্রেশনের দিকে খেয়াল রাখতে হবে। পরিশ্রম করেও শরীর যাতে জলশূন্য না হয়, সঠিক পুষ্টি পায় এবং ঘুমও পর্যাপ্ত হয়, তা খেয়াল রাখতে হবে।

আনন্দ পণ্ডিতের মতো ফিট থাকতে কী করা জরুরি?

যে বয়সের পরে দাঁড়িয়ে বা ছুটোছুটি করে শারীরচর্চা করার ক্ষমতা চলে যায়, সে সময়ে কিছু হালকা ব্যায়াম শুরু করুন চেয়ারে বসে। হাত, পা সচল থাকলে, শরীরের ভারসাম্য বজায় থাকলে, শরীরও সুস্থ ও সবল থাকবে। ষাটে পৌঁছে যন্ত্রপাতি নিয়ে ভারী ব্যায়ামের বদলে স্ট্রেচিংও কাজে আসবে বেশি। চেয়ারে বসে একটা পা মেঝের উপরে রাখতে হবে। আর একটি পা টানটান করে সামনের দিকে ছড়িয়ে দিতে হবে। মেরুদণ্ড থাকবে টান টান। এ ভাবে ১০ অবধি গুনে পা পরিবর্তন করতে হবে। দুই পায়েই এই ব্যায়াম মোট ১০-১২ বার করতে পারেন। এতে ঊরুর পেশির জোর বাড়ে। এই ব্যায়ামে পায়ের জোর বাড়বে।

মাটিতে শুয়ে যে ভাবে সিট আপ করেন ঠিক সেই ভাবেই করতে হবে এই ব্যায়াম। শুধু তা করতে হবে চেয়ারে বসে বসে। প্রথমে চেয়ারে সোজা হয়ে বসুন। দুই হাত সামনের দিকে প্রসারিত করুন। এ বার মাটি থেকে দুই পা তুলে প্রথমে বুকের কাছে নিয়ে যান। তার পর আবার মাটিতে রাখুন। এই ভাবে প্রথমে বার পাঁচেক অভ্যাস করুন। ধীরে ধীরে গতি বৃদ্ধি করতে পারেন।

চেয়ারে বসে জগিংও করা যেতে পারে। চেয়ারে সোজা হয়ে বসে দু’হাত দু’পাশে দিয়ে দৌড়োনোর মতো ভঙ্গি করুন। দুই পা ও দুই হাত একইসঙ্গে সঞ্চালন করতে হবে। এক-এক বারে ৫০ অবধি গুনে দৌড় শেষ করুন। অভ্যাস হয়ে গেলে ১০০ অবধি দুই পায়ে করতে পারেন।

Fitness Tips exercise tips

সঠিক খবর পেতে গুগ্‌লে বেছে নিন আনন্দবাজার ডট কম

ফলো করুন আমাদের মাধ্যমগুলি

Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy