Advertisement
E-Paper

সরকারি রেজিস্ট্রারের মাধ্যমে মুসলিম বিয়ের নথিভুক্তিকরণ বাধ্যতামূলক, বিধি অনুমোদন অসম মন্ত্রিসভায়! বাঁধা হল বয়ঃসীমাও

২০২৪ সালে অসম সরকার ‘অসম কম্পালসরি রেজিস্ট্রেশন অফ মুসলিম ম্যারেজেস অ্যান্ড ডিভোর্সেস অ্যাক্ট ২০২৪’-র মাধ্যমে কাজীদের থেকে এই বিবাহ নথিভুক্ত করার ক্ষমতা কেড়ে নিয়েছিল। মন্ত্রিসভার বৈঠকের পর মুখ্যমন্ত্রী জানালেন, ২০২৬ থেকে সেই দায়িত্ব নেবেন সরকারি রেজিস্ট্রাররাই।

আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক

শেষ আপডেট: ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ১৩:২৭
বিবাহের সময় পাত্রীর বয়স ১৮ এবং পাত্রের বয়স অন্তত ২১ হতে হবে। লাগবে বেশ কিছু আইনি নথি, যেমন পরিচয়, বয়স এবং ঠিকানার প্রমাণ।

বিবাহের সময় পাত্রীর বয়স ১৮ এবং পাত্রের বয়স অন্তত ২১ হতে হবে। লাগবে বেশ কিছু আইনি নথি, যেমন পরিচয়, বয়স এবং ঠিকানার প্রমাণ। ছবি: সংগৃহীত।

মুসলিম ধর্মাবলম্বীদের বিবাহ নথিভুক্ত করতে এ বার রেজিস্ট্রারের কাছে যেতে হবে। বৃহস্পতিবার মন্ত্রিসভার বৈঠকের পর অসমের মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্বশর্মা এমনটাই জানালেন। ২০২৪ সালে অসম সরকার ‘অসম কম্পালসারি রেজিস্ট্রেশন অফ মুসলিম ম্যারেজেস অ্যান্ড ডিভোর্সেস অ্যাক্ট ২০২৪’ মাধ্যমে কাজীদের বিবাহ নথিভুক্ত করার ক্ষমতা অবলুপ্ত করে। একটি সাংবাদিক বৈঠকে মুখ্যমন্ত্রী জানালেন, এ বার সেই দায়িত্ব নেবেন রেজিস্ট্রারেরাই।

বৈঠকে তিনি বলেন, ‘‘অসম মুসলিম ম্যারেজ রেজিস্ট্রেশন (কম্পালসারি) রুলস্, ২০২৬ অনুমোদন করা হল যাতে গোটা রাজ্য জুড়ে বিবাহ নথিভুক্ত করার জন্য একটাই প্রক্রিয়া বলবৎ থাকে। এ বার থেকে মুসলিম বিবাহগুলিও সরকারি রেজিস্ট্রারেরাই নথিভুক্ত করবেন।’’

তিনি আশ্বাস দিয়েছেন, যদি বিবাহ নথিভুক্তির জন্য আবেদনের সংখ্যা বাড়তে থাকে, তবে সরকার আরও রেজিস্ট্রার নিয়োগ করবে। ২০২৪-র আইনটি পাশ করার পর কাজিদের হাত থেকে মুসলিম বিয়ে নথিভুক্ত করার ক্ষমতা চলে যায়। হিমন্তের বক্তব্য, নতুন ব্যবস্থার ফলে মুসলিম বিবাহগুলিও সঠিক ভাবে সরকারি নথির আওতায় আসবে।

১৯৩৫ সালে অসম মুসলিম ম্যারেজ অ্যান্ড ডিভোর্সেস রেজিস্ট্রেশন অ্যাক্ট অনুযায়ী মুসলিমদের জন্য বিবাহ নথিভুক্ত করা বাধ্যতামূলক ছিল না। ২০১০ সালে সেই আইন পরিবর্তন করে বিবাহ নথিভুক্ত করা বাধ্যতামূলক করা হয়। যদিও নথিভুক্ত করার ক্ষমতা কাজিদের হাতেই ছিল। এর পর ২০২৪ সালের অসম মুসলিম বিবাহ এবং বিচ্ছেদ বাধ্যতামূলক নথিভুক্তি আইনের মাধ্যমে সেই ক্ষমতা লোপ করা হলেও জানানো হয়নি সেই দায়িত্ব কে পালন করবেন। ২০২৬ সালের এই অনুমোদনের ফলে সেই দায়িত্ব পেলেন সরকারি রেজিস্ট্রারেরা।

মুসলিম নাবালিকাদের বিবাহ রোধের উদ্দেশ্যে ২০২৪ সালের আইন চালু হয়েছিল। জানানো হয়েছিল, বিবাহের সময় পাত্রীর বয়স ১৮ এবং পাত্রের বয়স অন্তত ২১ হতে হবে। লাগবে বেশ কিছু আইনি নথি, যেমন পরিচয়, বয়স এবং ঠিকানার প্রমাণ। তা ছাড়াও দু’পক্ষের তরফেই স্বেচ্ছায় অনুমতি দানের ঘোষণাপত্র লাগবে।

Assam Muslim Marriage

সঠিক খবর পেতে গুগ্‌লে বেছে নিন আনন্দবাজার ডট কম

ফলো করুন আমাদের মাধ্যমগুলি

Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy