Advertisement
E-Paper

পরীক্ষার হল থেকে বেরিয়ে বন্ধুদের ফোন করেন আইআইটি বম্বের সেই ছাত্র! কী বলেছিলেন মৃত্যুর আগে? জানল পুলিশ

মুম্বই পুলিশের অপরাধদমন শাখা সাহিলের মামলার তদন্ত করছে। সূত্রের খবর, এখনও পর্যন্ত ২৫ জনেরও বেশি ব্যক্তির বয়ান তারা রেকর্ড করেছে। কথা বলা হয়েছে ছাত্রের সহপাঠী ও বন্ধুদের সঙ্গে।

আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক

শেষ আপডেট: ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ১২:০৩
আইআইটি বম্বে ক্যাম্পাস থেকে ছাত্রের দেহ উদ্ধার করা হয়েছে।

আইআইটি বম্বে ক্যাম্পাস থেকে ছাত্রের দেহ উদ্ধার করা হয়েছে। গ্রাফিক: আনন্দবাজার ডট কম।

পরীক্ষার হলে মোবাইল ফোন ব্যবহার করতে গিয়ে ধরা পড়েছিলেন আইআইটি বম্বের ছাত্র সাহিল ওয়াকোডে। সে দিন সন্ধ্যাতেই হস্টেলের ঘর থেকে তাঁর দেহ উদ্ধার করা হয়। মৃতের পরিবার কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে জাতিবৈষম্য এবং হেনস্থার অভিযোগ তুলেছে। এই পরিস্থিতিতে পুলিশ সাহিলের সহপাঠী, বন্ধুবান্ধবদের সঙ্গে কথা বলে নতুন কিছু তথ্য সংগ্রহ করেছে। মৃত্যুর আগে তিনি কাকে কাকে ফোন করেছিলেন, কী বলেছিলেন, জানতে পেরেছে পুলিশ।

মুম্বই পুলিশের অপরাধদমন শাখা সাহিলের মামলার তদন্ত করছে। সূত্রের খবর, এখনও পর্যন্ত ২৫ জনেরও বেশি ব্যক্তির বয়ান তারা রেকর্ড করেছে। সাহিলের সহপাঠী, ঘনিষ্ঠদের পাশাপাশি হস্টেলের কর্মী ও পরিচিতদের সঙ্গে কথা বলা হয়েছে। জানা গিয়েছে, গত ১৮ সেপ্টেম্বর পরীক্ষার হল থেকে বেরিয়ে সাহিল কয়েক জন বন্ধুকে ফোন করেছিলেন। তাঁদের মধ্যে এক বান্ধবীও ছিলেন। তাঁদের সাহিল জানিয়েছিলেন, পরীক্ষার হলে যা ঘটেছে, তার জন্য তিনি লজ্জিত। নিজের ভুল বুঝতে পেরেছেন। যা করেছেন, তা করা উচিত হয়নি। তার জন্য অনুশোচনা হচ্ছিল তাঁর।

বেলা ১২টা ৪০ মিনিটে পরীক্ষার হলে ধরা পড়েছিলেন সাহিল। তাঁকে হল থেকে বার করে দেওয়া হয়। এর পর দুপুর আড়াইটে নাগাদ বান্ধবীকে ফোন করেন তিনি। জানান, তিনি ভুল করেছেন। থার্মোডায়নামিক্স পরীক্ষা তাই ভাল হয়নি। পরীক্ষায় মোবাইল ব্যবহার করা এবং তার পরবর্তী ঘটনাবলিও বান্ধবীর সঙ্গে ভাগ করে নেন সাহিল। তাঁর আইফোনটি ফরেনসিক পরীক্ষার জন্য পাঠিয়েছে পুলিশ। আইফোনের লক খোলার জন্য অ্যাপ্‌লের সাহায্য নেওয়া হচ্ছে। হোয়াট্‌সঅ্যাপ চ্যাট উদ্ধারের চেষ্টাও করছেন তদন্তকারীরা। সেগুলি প্রকাশ্যে এলে ওই দিনের ঘটনাবলি আরও বিশদে জানা যাবে। খতিয়ে দেখা হচ্ছে সে দিনের সিসিটিভি ক্যামেরার ফুটেজও।

আইআইটি বম্বের অধ্যাপক সূর্যনারায়ণ দুল্লার বিরুদ্ধে সাহিলের পরিবার হেনস্থার অভিযোগ তুলেছে। অভিযোগ, ডিরেক্টর শিরীষ কেদারের নির্দেশে দুল্লা তাঁদের পুত্রকে জাত তুলে হেনস্থা করতেন। তিন মাস ধরে তা চলছিল। এই অভিযোগ খতিয়ে দেখা হচ্ছে। আইআইটি কর্তৃপক্ষ দুল্লাকে আপাতত ছুটিতে পাঠিয়েছেন। তাঁর বয়ান পুলিশ এখনও রেকর্ড করেনি।

IIT Bombay Suicide Case Mumbai police

সঠিক খবর পেতে গুগ্‌লে বেছে নিন আনন্দবাজার ডট কম

ফলো করুন আমাদের মাধ্যমগুলি

Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy