যৌন হেনস্থার মামলায় গ্রেফতারি থেকে অন্তর্বর্তী সুরক্ষা পেলেন ইনার মণিপুরের কংগ্রেস সাংসদ বিমল আকোইজাম। নয়াদিল্লির রাউস অ্যাভিনিউ আদালত মঙ্গলবার বিমলের দায়ের করা আগাম জামিনের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে দিল্লি পুলিশকে নোটিস জারি করেছে। সেই সঙ্গে যৌন হেনস্থার দায়ে অভিযুক্ত ও বরখাস্ত হওয়া জওহরলাল নেহরু বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক বিমলকে আপাতত গ্রেফতারি থেকে অন্তর্বর্তী সুরক্ষা প্রদান করা হয়েছে। বিশেষ বিচারক দিগ্বিনয় সিংহ বিমলের গ্রেফতারি-সংক্রান্ত সুরক্ষার মেয়াদ ৫ নভেম্বর পর্যন্ত বাড়িয়ে দিয়েছেন এবং পরবর্তী শুনানির আগে দিল্লি পুলিশকে তাদের জবাব দাখিল করার নির্দেশ দিয়েছেন।
১১ জন ছাত্রীর দায়ের করা যৌন হেনস্থার অভিযোগের ভিত্তিতে ভারতীয় ন্যায় সংহিতার ৭৫ নম্বর ধারায় বসন্ত কুঞ্জ নর্থ থানায় একটি এফআইআর দায়ের হওয়ার পরে আকোইজাম আগাম জামিনের আবেদন করেন। বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ তাঁকে ইতিমধ্যে বরখাস্ত করেছেন।
অবশ্য, সোমবার দিল্লি হাই কোর্ট বিমলকে চাকরি থেকে বরখাস্ত করার সিদ্ধান্তে স্থগিতাদেশ জারি করেছে। বিচারপতি অনুপ জে ভম্বানী জওহরলাল বিশ্ববিদ্যালয়কে নোটিস পাঠিয়ে মামলাটির পরবর্তী শুনানির দিন জানুয়ারিতে নির্ধারণ করেছেন।
আকোইজামের দাবি, বিশ্ববিদ্যালয় তাঁকে আত্মপক্ষ সমর্থনের যথাযথ সুযোগ দেয়নি এবং ইউজিসি বিধি ও জেএনইউ আইনে নির্ধারিত প্রক্রিয়া অনুসরণ করা হয়নি। তিনি তাঁর সরকারি ভাবে বরাদ্দ বিশ্ববিদ্যালয় আবাসন খালি করার নির্দেশকেও চ্যালেঞ্জ করেছেন। তাঁর দাবি, যৌন হেনস্থার সব ভিত্তিহীন ও রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত।