Advertisement
E-Paper

কেন্দ্রের হাতেই বিদেশি অনুদান নিয়ন্ত্রণ বিল পর্যালোচনায় গড়া জেপিসির কর্তৃত্ব! চেয়ারম্যান হলেন বিজেপির সাংসদ

বিলের খসড়ায় বলা হয়েছে, কোনও সংস্থা যদি কোনও বছরে বিদেশি অনুদান শংসাপত্র নবীকরণে ব্যর্থ হয় বা শংসাপত্র বাতিল হয়ে যায়, ওই সংস্থার যাবতীয় সম্পত্তি সরকার বাজেয়াপ্ত করবে!

আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক

শেষ আপডেট: ০৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ০০:৫০
গ্রাফিক আনন্দবাজার ডট কম।

গ্রাফিক আনন্দবাজার ডট কম।

বিদেশি অনুদান নিয়ন্ত্রণ সংশোধনী বিল (এফসিআরএ) পর্যালোচনা ও পরিমার্জনের লক্ষ্যে গড়া যৌথ সংসদীয় কমিটির (জেপিসি)-র চেয়ারম্যান করা হল বিহারের থেকে লোকসভায় নির্বাচিত বিজেপি সাংসদ সঞ্জয় জয়সবালকে। বৃহস্পতিবার লোকসভা সচিবালয়ের তরফে প্রকাশিত বিজ্ঞপ্তিতে স্পিকার ওম বিড়লার এই সিদ্ধান্তের কথা জানানো হয়েছে।

গত মাসে সংসদের বাদল অধিবেশনের বিদেশি অনুদান নিয়ন্ত্রণ সংশোধনী বিল (এফসিআরএ) নিয়ে পিছু হটতে বাধ্য হয়েছিল প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর সরকার। তবে বিরোধীরা ওই বিলটিকে বাতিলের দাবি করলেও, শেষপর্যন্ত বিলটিকে যৌথ সংসদীয় কমিটি (জেপিসি)-তে পাঠানোর সিদ্ধান্ত নেয় শাসক শিবির। নিয়ম অনুযায়ী ৩১ সদস্যের জেপিসিতে চেয়ারম্যান-সহ ২১ জনকে মনোনীত করবেন লোকসভার স্পিকার বিড়লা। বাকি ১০ জনকে রাজ্যসভার চেয়ারম্যান সিপি রাধাকৃষ্ণন। বৃহস্পতিবার শুধু কমিটির প্রধান হিসাবে বিহার বিজেপির প্রাক্তন সভাপতি তথা পশ্চিম চম্পারণের সাংসদ সঞ্জয়ের নাম ঘোষিত হয়েছে।

প্রসঙ্গত গত মার্চ মাসে বাজেট অধিবেশনে এফসিআরএ সংশোধনী বিল লোকসভায় পেশ করেছিল কেন্দ্র। যুক্তি ছিল, বিদেশ থেকে আসা অর্থের সাহায্যে যে ব্যক্তি বা সংস্থা দেশে ধর্মান্তরণে সক্রিয়, তাঁদের আটকাতে সংশোধনী বিলটি আনা হয়েছে। ওই বিলের খসড়ায় শর্ত হিসেবে বলা হয়েছে, কোনও সংস্থা যদি কোনও বছরে বিদেশি অনুদান শংসাপত্র নবীকরণে ব্যর্থ হয় বা শংসাপত্র বাতিল হয়ে যায়, ওই সংস্থার যাবতীয় সম্পত্তি সরকার বাজেয়াপ্ত করবে। যা নিয়ে বিজেপির উত্তর-পূর্বাঞ্চলের শরিক দলগুলির একাংশও আপত্তি তুলেছে। কেরল ভোটের ঠিক আগে বিরোধীরা ওই বিল খ্রিস্টান-বিরোধী বলে প্রচারে নামায় আর এগোয়নি মোদী সরকার। এর পরে বাদল অধিবেশনে বিলটি পাস করানোর পরিকল্পনা ছিল সরকারের। সংসদের দু’টি কক্ষে প্রয়োজনীয় সংখ্যা থাকা সত্ত্বেও মূলত ঐক্যবদ্ধ বিরোধী শিবির ও খ্রিস্টান সংগঠনগুলির চাপে পড়ে, বিলটি পাস করানোর পরিবর্তে জেপিসিতে পাঠানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। যাকে সরকারের ‘সময় কেনার কৌশল’ হিসেবে দেখছে বিরোধীরা।

FCRA BJP

সঠিক খবর পেতে গুগ্‌লে বেছে নিন আনন্দবাজার ডট কম

ফলো করুন আমাদের মাধ্যমগুলি

Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy