পঞ্জাবে কংগ্রেস নেতার ভাইকে গুলি করে খুনের অভিযোগ। শনিবার রাতে ২৭ বছরের যুবককে রাস্তায় দাঁড় করিয়ে পর পর গুলি ছোড়ে দুষ্কৃতীরা। ঘটনাস্থলেই তাঁর মৃত্যু হয়। পুলিশ জানতে পেরেছে, মৃতের নাম সুখরাজ সিংহ ওরফে কাকা। তিনি গুরুদাসপুরের পদ্দা গ্রামের কংগ্রেস পঞ্চায়েত প্রধান নবদীপ সিংহের ভাই। ব্যক্তিগত শত্রুতার কারণে এই হত্যাকাণ্ড বলে প্রাথমিক ভাবে মনে করছে পুলিশ।
সুখরাজের পরিবার জানিয়েছে, শনিবার বাবা শ্রীচাঁদের জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে গুরুদ্বারে শ্রদ্ধা জ্ঞাপন করতে গিয়েছিলেন তিনি। রাত ৮টা নাগাদ বাড়ি ফেরার সময় গ্রামের রাস্তায় তাঁর পথ আটকায় একটি গাড়ি। অজ্ঞাতপরিচয় কয়েক জন গাড়ি থেকে নেমে সুখরাজকে লক্ষ্য করে পর পর গুলি ছোড়েন। তার পর গাড়ি নিয়ে সেখান থেকে পালিয়ে যান। গুলিবিদ্ধ হয়ে মাটিতে লুটিয়ে পড়েছিলেন পঞ্চায়েত প্রধানের ভাই। ঘটনাস্থলেই তাঁর মৃত্যু হয়।
আরও পড়ুন:
খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়েছিল পুলিশ। তারাই দেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠায়। পরিবারের অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্ত শুরু করেছে তারা। ঘটনাস্থল থেকে দু’টি খালি কার্তুজও পাওয়া গিয়েছে। পুলিশ আধিকারিক অশোককুমার শর্মা জানিয়েছেন, পরিবারের লোকজনের বয়ানের ভিত্তিতে একটি মামলা রুজু করা হয়েছে। তবে সুখরাজের বিরুদ্ধে একাধিক মামলা ছিল। তাই তদন্তকারীরা মনে করছেন, এই ঘটনার নেপথ্যে পুরনো কোনও ব্যক্তিগত শত্রুতা থাকতে পারে। রাজনীতির যোগ নেই বলে প্রাথমিক ভাবে মনে করা হচ্ছে। তবে সব দিক খতিয়ে দেখছেন তদন্তকারীরা।
কংগ্রেসের পঞ্চায়েত প্রধান পুলিশ প্রশাসনের বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগরে দিয়েছেন। তাঁর দাবি, কয়েক মাস আগে তাঁর ভাইয়ের উপর এমনই আর একটি হামলা হয়েছিল। তখন কোনও রকমে তিনি প্রাণে বেঁচে যান। কিন্তু ওই সময় দুষ্কৃতীদের বিরুদ্ধে পুলিশ কোনও পদক্ষেপ করেনি। তার ফলেই ফের হামলা হল। আম আদমি পার্টি শাসিত পঞ্জাবের পুলিশের কাছে সুখরাজের মৃত্যুর বিচার চেয়েছেন কংগ্রেস নেতা ও তাঁর পরিবার।