দেশীয় প্রযুক্তিতে আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থাকে আরও শক্তিশালী করার পথে বড় সাফল্য পেল ‘ভারতীয় গবেষণা ও উন্নয়ন সংস্থা’ (‘ডিফেন্স রিসার্চ ডেভেলপমেন্ট অর্গানাইজ়েশন’ বা ডিআরডিও)। শুক্রবার ওড়িশা উপকূলের এপিজে আব্দুল কালাম দ্বীপের প্রতিরক্ষা গবেষণাকেন্দ্র থেকে সফল ভাবে প্রথম উড়ান-পরীক্ষা হল কুশ নামের দূরপাল্লার ‘ভূমি থেকে আকাশ’ (সারফেস টু এয়ার) ক্ষেপণাস্ত্রের।
রাশিয়া থেকে আনা ‘এস-৪০০ ট্রায়াম্ফ’ (‘সুদর্শন চক্র’ নামে যা পরিচিতি পেয়েছে)-এর মতো উচ্চ ক্ষমতাসম্পন্ন ‘কুশ’ আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা (এয়ার ডিফেন্স সিস্টেম) নির্মাণে ‘ভারত ইলেকট্রনিক্স লিমিটেড’ (বিইএল)-এর সাহায্য নিয়েছেন ডিআরডিও-র বিজ্ঞানীরা। ২০২৪ সালে সিঁদুর অভিযানের ঠিক পরেই ‘এস-৪০০ ট্রায়াম্ফ’-এর দেশীয় বিকল্প তৈরি করতে ‘প্রজেক্ট কুশ’ চালু করেছিল ডিআরডিও। শত্রুর ড্রোন, ক্ষেপণাস্ত্র এবং যুদ্ধবিমানকে ধ্বংস করার ক্ষমতাসম্পন্ন এই ‘এয়ার ডিফেন্স সিস্টেম’ হাতে পেলে আরও নিরাপদ হবে দেশের আকাশ।
আরও পড়ুন:
সূত্রের খবর, ‘প্রকল্প কুশ’-এর পাশাপাশি আরও একটি আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা নির্মাণে ডিআরডিও-র সহযোগী হয়েছে বিইএল। সেটি হল, দ্রুত প্রতিক্রিয়াশীল ভূমি থেকে আকাশ ক্ষেপণাস্ত্র বা কিউআরএসএএম (কুইক রিয়্যাকশন সারফেস টু এয়ার মিসাইল)। সিঁদুর অভিযানের আগেই ডিআরডিও-র প্রযুক্তিগত সহায়তায় তৈরি ‘আকাশতীর’ এয়ার ডিফেন্স সিস্টেম ভারতীয় ফৌজের হাতে তুলে দিয়েছিল বিইএল। মূলত স্বল্পপাল্লার ড্রোন বা ক্ষেপণাস্ত্রকে মাঝ-আকাশে ধ্বংস করতে এর নকশা প্রস্তুত করা হয়েছে। এ ছাড়া শত্রুর যুদ্ধবিমানের রিয়্যাল-টাইম তথ্য দিতে পারে ‘আকাশতীর’।