বিহারের গোপালগঞ্জের অতিরিক্ত জেলাশাসক রাজেশ্বরী পাণ্ডের খোঁজে তল্লাশি চালাচ্ছে পুলিশ। আয়বহির্ভূত সম্পত্তির অভিযোগে তাঁর বেশ কয়েকটি ঠিকানায় তল্লাশি শুরু হতেই গা-ঢাকা দিয়েছেন রাজেশ্বরী। শুক্রবার রাজেশ্বরীর বাড়ি, অফিস-সহ বিভিন্ন ঠিকানায় তল্লাশি অভিযানে নামে বিহারের স্পেশ্যাল ভিজিল্যান্স ইউনিট (এসভিইউ)।
তদন্তকারী সংস্থা সূত্রে খবর, এই তল্লাশি অভিযানে রাজেশ্বরীর ৩৫টি ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টের হদিস মিলেছে। সেই অ্যাকাউন্টে জমা রয়েছে দেড় কোটি টাকা। শুধু তা-ই নয়, তাঁর স্ত্রী এবং পুত্রের নামে পটনা, রোহতাস এবং উত্তরপ্রদেশের বারাণসীতে ১২টি জমি এবং বাড়ির খোঁজ পাওয়া গিয়েছে। যেগুলির মিলিত বাজারমূল্য কয়েক কোটি টাকা।
আরও পড়ুন:
প্রকাশিত প্রতিবেদনে, রাজেশ্বরীর বাড়ি থেকে নগদ ১ লক্ষ ৮৫ হাজার টাকা এবং ৮.৫ লক্ষ টাকার ফিক্সড ডিপোজ়িটের নথি এবং বিভিন্ন বিনিয়োগের কাগজপত্র উদ্ধারের উল্লেখ রয়েছে। এ ছাড়াও ৩২ লক্ষ টাকার সোনা এবং রুপোর গয়নাও বাজেয়াপ্ত হয়েছে। তদন্তকারীরা জানিয়েছেন, আয়ের থেকে ১৩৫ শতাংশ বেশি সম্পত্তির বেশি হদিস মিলেছে অতিরিক্ত জেলাশাসকের। এই সম্পত্তির উৎসের খোঁজ চালাচ্ছেন তাঁরা। বিহার পিএসসি পরীক্ষায় পাশ করে ২০১০ সালে চাকরিতে যোগ দেন রাজেশ্বরী। তদন্তকারী সূত্রের খবর, পটনা, গোপালগঞ্জ এবং রোহতাসে রাজেশ্বরীর চার ঠিকানায় একসঙ্গে তল্লাশি চালানো হয়। তখনই এই সম্পত্তির খোঁজ পায় ভিজিল্যান্স।
উল্লেখ্য, গত বৃহস্পতিবার বিহারের এক সরকারি ইঞ্জিনিয়ারের বাড়িতে আয়বহির্ভূত সম্পত্তির মামলায় তল্লাশি চালায় ভিজিল্যান্স। ইঞ্জিনিয়ার নারদকুমার দাসকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। তাঁর বাড়িতে বিছানার নীচ থেকে থরে থরে সাজানো ৫০০ টাকার নোটের বান্ডিল উদ্ধার হয়।