Advertisement
E-Paper

উল্টো করে ঝুলিয়ে মারধর, বৈদ্যুতিক শক, উত্তর প্রদেশের বিজেপি বিধায়কের বিরুদ্ধে তিন যুবককে বন্দি করার অভিযোগ

বিজেপি বিধায়ক কুঁয়র সুশান্ত সিংহের বিরুদ্ধে অভিযোগ, বুধবার থেকে তিনি তিন জন যুবককে মোরাদাবাদের রাতুপুরে তাঁর বাড়িতে বন্দি করে রেখেছিলেন। যদিও এই অভিযোগ অস্বীকার করেছেন তিনি।

আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক

শেষ আপডেট: ১০ অক্টোবর ২০২৬ ১৫:৩৯
বিধায়ক সুশান্ত সিংহ সমস্ত অভিযোগ অস্বীকার করেছেন।

বিধায়ক সুশান্ত সিংহ সমস্ত অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। ছবি: সংগৃহীত।

তিন যুবককে আটক করে তাঁদের উপর শারীরিক অত্যাচার চালানোর অভিযোগ উঠল উত্তর প্রদেশের এক বিজেপি বিধায়কের বিরুদ্ধে। বিধায়কের ছেলের সোনার বালা চুরি করার অভিযোগে ওই তিন জনকে বন্দি করে মারধর করা হয় বলে অভিযোগ। পুলিশের কাছে বিধায়কের বিরুদ্ধে অভিযোগ জানিয়েছেন এক নিগৃহীতের মা। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় বিক্ষোভ শুরু হয়েছে।

বিজনৌর জেলার বড়াপুরের বিজেপি বিধায়ক কুঁয়র সুশান্ত সিংহের বিরুদ্ধে অভিযোগ, বুধবার থেকে তিনি তিন জন যুবককে মোরাদাবাদের রাতুপুরে তাঁর বাড়িতে বন্দি করে রেখেছিলেন। তাঁদের উল্টো করে ঝুলিয়ে লাঠি ও বেল্ট দিয়ে মারধর করা হয় বলেও অভিযোগ। অভিযুক্তদের দাবি, বৈদ্যুতিক শকও দেওয়া হয়। এই ঘটনায় এক নিগৃহীত গুরুতর জখম।

শুক্রবার পুলিশের দ্বারস্থ হন নিগৃহীত রামু কশ্যপের মা ওমবতী কশ্যপ। বিধায়ক ও তাঁর গাড়িচালক-সহ পাঁচ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করেন তিনি। অভিযোগ অনুযায়ী, ৭ অক্টোবর অর্জুন কুমার নামে বিধায়কের এক সহকারী রামুকে তাঁর বাড়ি থেকে তুলে নিয়ে যান। আরও দুই নিগৃহীত অতুল কশ্যপ ও লভিশ কশ্যপকে আগেই তুলে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল বলে অভিযোগ। বিধায়কের বাড়ির দুই পরিচারক জিজ্ঞাসাবাদের সময় রামুকে অভিযুক্ত বলে চিহ্নিত করেন বলে দাবি। তার পরেই তাঁকে তুলে নিয়ে যাওয়া হয় এবং দু’দিন ধরে বন্দি করে রেখে অত্যাচার করা হয় বলে অভিযোগ।

ওমবতীর অভিযোগ, দ়ড়ি দিয়ে বেঁধে উল্টো করে ঝুলিয়ে লাঠি ও বেল্ট দিয়ে তাঁদের মারধর করা হয়। তাঁদের ক্ষতে নুন ছিটিয়ে দেওয়া হয় ও বৈদ্যুতিক শক দেওয়া হয়। গুরুতর যখম হওয়ায় রামুকে কাশীপুরের একটি হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। বাকি দু’জনও আহত।

পরিবার সূত্রে খবর, বন্দি হওয়ার পর রামুর সঙ্গে একাধিক বার যোগাযোগ করার চেষ্টা করেন তাঁরা। কিন্তু তাঁদের দেখা করতে দেওয়া হয়নি। পুলিশের কাছে গেলে ফল ভাল হবে না বলে হুমকিও দেওয়া হয় বলে অভিযোগ। শুক্রবার পরিবারের সদস্য ও স্থানীয়দের সঙ্গে নিয়ে ঠাকুরদ্বারা থানায় অভিযোগ জানাতে গিয়েছিলেন ওমবতী।

নিগৃহীতদের মুক্তি ও অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে কড়া পদক্ষেপের দাবিতে এলাকা জুড়ে প্রতিবাদ শুরু হয়েছে। বিধায়ক সুশান্ত সিংহ যদিও সমস্ত অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, ‘‘অকারণে বন্দি করা, নিগ্রহ ও বৈদ্যুতিক শক দেওয়ার অভিযোগ ভিত্তিহীন।’’ পুলিশ সুপার কুঁয়র আকাশ সিংহ জানিয়েছেন ওমবতীর অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্ত শুরু হয়েছে।

Assault UP BJP MLA

সঠিক খবর পেতে গুগ্‌লে বেছে নিন আনন্দবাজার ডট কম

ফলো করুন আমাদের মাধ্যমগুলি

Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy