১৭ হাজার ফুট উচ্চতায় মাঝ-আকাশে যাত্রিবাহী বিমানের উপর বজ্রপাত! ইন্ডিগোর বিমানটি বিহারের পটনা থেকে উত্তরপ্রদেশের লখনউ যাচ্ছিল। আকাশে খারাপ আবহাওয়ার মুখে পড়েন পাইলট। বজ্রপাত হচ্ছে বুঝতে পেরে এয়ার ট্রাফিক কন্ট্রোলকে জানিয়েছিলেন তিনি। বিমানটি লখনউ বিমানবন্দরেই জরুরি অবতরণ করেছে।
বজ্রপাতের কারণে ইন্ডিগোর ৬ই৯২৫ বিমানের সামনের দিকের অংশ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। তুবড়ে গিয়েছে ‘নাক’। তবে যাত্রীরা সুরক্ষিত রয়েছেন। জানা গিয়েছে, ইন্ডিগোর ওই বিমানে মোট ১০৪ জন যাত্রী এবং ৬ জন বিমানকর্মী ছিলেন। বিমানের উপর যে বজ্রপাত হয়েছে, তা পাইলট বা বিমানকর্মীরা বুঝতেই পারেননি। অবতরণের পর নাকের অংশ লক্ষ করে তাঁরা বুঝতে পারেন, বজ্রপাত হয়েছে একেবারে বিমানের উপরেই!
আরও পড়ুন:
লখনউয়ের চৌধুরী চরণ সিংহ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পটনা থেকে আসা বিমানটির নামার কথা ছিল বিকেল ৪টে ১২ মিনিটে। জরুরি অবতরণের কারণে নির্ধারিত সময়ের আট মিনিট আগে বিমান নামে। খারাপ আবহাওয়া এবং বজ্রপাতের কারণে সতর্কতামূলক পদক্ষেপ হিসেবে বিমানটি জরুরি ভিত্তিতে অবতরণ করান পাইলট। যাত্রীদের নিরাপদে নামিয়ে দেওয়া হয়। পরে বিমানবন্দরের নির্দিষ্ট জায়গায় বিমানটি দাঁড় করিয়ে রাখতে গিয়ে তার ক্ষতিগ্রস্ত অংশটি কর্তৃপক্ষের চোখে পড়ে।
বিষয়টি সম্পর্কে অবগত এক সূত্র উল্লেখ করে টাইম্স অফ ইন্ডিয়া জানিয়েছে, বজ্রপাত চলছে বুঝতে পেরে পাইলট এয়ার ট্রাফিক কন্ট্রোলকে সতর্ক করেছিলেন। কিন্তু তা আদৌ বিমানের কোনও ক্ষতি করেছে কি না, তিনি নিশ্চিত ছিলেন না। সাধারণত বিমানের সামনের দিকেই আবহাওয়ার রেডার ইনস্টল করা থাকে। বজ্রপাতে সেটিই ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
ইন্ডিগোর ওই বিমানটিকে আপাতত বসিয়ে রাখা হয়েছে। নতুন কোনও যাত্রায় তাকে পাঠানো হচ্ছে না। বজ্রপাতে বিমানের আর কোনও ক্ষতি হয়েছে কি না, পরীক্ষা করে দেখা হবে। ডিজিসিএ-র ছাড়পত্র পাওয়ার পর আবার তা উড়তে পারবে।