মহারাষ্ট্রে ১৯ বছরের এক তরুণ সোনার গয়না চুরি করে তা বিক্রি করার অভিযোগে গ্রেফতার হলেন। কাকার বাড়ি থেকে বেশ কিছু দিন আগে ১৫ তোলা (১৭৪.৯৬ গ্রাম) সোনা চুরি করেছিলেন। সেই সোনা ১০ লক্ষ টাকায় বিক্রি করেন। তার পর সেই টাকায় একটি মহীন্দ্রা থার গাড়ি কেনেন। নতুন গাড়ি কেনার পর বাড়িতে পুজোর আয়োজন করেছিলেন। সেই অনুষ্ঠানে ডেকেছিলেন কাকাকেও। কিন্তু অনুষ্ঠান উপলক্ষে গয়নাগুলি বার করতে গিয়ে তা খুঁজে পাননি তাঁর কাকা। তখনই পুলিশের দ্বারস্থ হন তিনি।
কোলহাপুর জেলার সাতওয়ে গ্রামের বাসিন্দা অভিযুক্ত সমর চহ্বাণ ও তাঁর কাকা উমেশ মারুতি চহ্বাণের বাড়ি মুখোমুখি। অভিযোগ, এক মাস আগে উমেশের বাড়ি থেকে ১৫ তোলা সোনার গয়না চুরি করেন সমর। এক স্থানীয় স্বর্ণকার সংগ্রাম বাবাসো মোরের সাহায্যে ১০ লক্ষ টাকায় সেই গয়না বিক্রি করেন তিনি। সেই টাকা দিয়ে কেনেন একটি নতুন থার গাড়ি।
গাড়িটি বাড়িতে নিয়ে আসার পর উমেশকে পুজোর জন্য নিমন্ত্রণ করেন তিনি। সেই উপলক্ষে সিন্দুক খুলে গয়না বার করতে গিয়ে উমেশ বুঝতে পারেন বেশ কয়েকটি গয়না খোয়া গিয়েছে। তিনি লক্ষ করেন, তাঁর ঠাকুমার গয়নাগুলি যথাস্থানে থাকলেও উমেশ এবং তাঁর স্ত্রীর গয়নাগুলি নেই। তাতেই তাঁর সন্দেহ হয়, এই কাজ কোনও আত্মীয় বা বাড়ির কারও। তার পরেই শুক্রবার কোদোলি থানায় অভিযোগ করেন তিনি।
তদন্তে পুলিশ জানতে পারে সমর সদ্য একটি নতুন গাড়ি কিনেছেন। গাড়ি কেনার টাকা কোথায় পেলেন, তা নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয় সমরকে। জানা গিয়েছে, জেরার চাপে চুরির দায় স্বীকার করেন তিনি। স্বীকারোক্তির পাওয়ার পর সমর ও সংগ্রামকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।