বিয়ের আগেই কন্যা অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়েছিলেন। সে কথা জানতে পেরে তাঁকে খুন করে ফেললেন খোদ বাবা। দিল্লি থেকে কন্যাকে ভুলিয়েভালিয়ে নিয়ে গেলেন আগরায়, নিজেদের পুরনো বাড়িতে। সেখানেই তরুণীকে নদীতে ডুবিয়ে তাঁর বাবা খুন করেন বলে অভিযোগ। তাঁকে এবং তরুণীর এক আত্মীয়কে পুলিশ গ্রেফতার করেছে। তবে এখনও কোনও দেহ উদ্ধার করা যায়নি।
পুলিশ সূত্রে খবর, ধৃতের নাম লাখপত সিংহ। জন্মসূত্রে আগরার বাসিন্দা হলেও কাজের জন্য গত কয়েক বছর ধরে পরিবার নিয়ে তিনি দিল্লিতে থাকছিলেন। কিছু দিন আগে তিনি আচমকা জানতে পারেন, তাঁর ১৮ বছর বয়সি কন্যা অন্তঃসত্ত্বা। প্রথমে বকাঝকা করলেও পরে তরুণীর সামনে বিষয়টি মেনে নেওয়ার ভান করেন বাবা। চিকিৎসার নাম করে তাঁকে নিয়ে যান আগরার বাড়িতে। অভিযোগ, সেখানে চম্বল নদীতে কন্যাকে ডুবিয়ে মারেন তিনি। এই কাজে তাঁকে সাহায্য করেছিলেন আরও এক আত্মীয়। পুলিশ তাঁকেও গ্রেফতার করেছে।
আরও পড়ুন:
অভিযোগ, কন্যাকে ডুবিয়ে মারার ভিডিয়ো রেকর্ড করেছিলেন বাবা। পরে দিল্লিতে ফিরে এসে নিখোঁজ ডায়েরি করেন তিনি। গোটা বিষয়টিকে অপহরণ করে খুনের ঘটনা হিসাবে তিনি সাজাতে চেয়েছিলেন। কিন্তু পুলিশ জেরা শুরু করতেই তাঁর বয়ানে অসঙ্গতি ধরা পড়ে যায়। পরে জেরার মুখে খুনের কথা তিনি স্বীকার করে নিয়েছেন। আপাতত তরুণীর দেহ উদ্ধারের জন্য পুলিশ অপেক্ষা করছে। দেহটি পাওয়া গেলে খুনের বিষয়টি আরও স্পষ্ট হবে। প্রাথমিক ভাবে তদন্তকারীদের অনুমান, সামাজিক নিন্দার ভয়েই অন্তঃসত্ত্বা কন্যাকে সরিয়ে ফেলার পরিকল্পনা করেছিলেন তাঁর বাবা। তবে এর নেপথ্যে অন্য কোনও কারণ ছিল কি না, কী ভাবে তরুণী অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়েছিলেন, খতিয়ে দেখা হচ্ছে।