নাগাল্যান্ডে বিষমদ পান করে দু’দিনে দুই জেলায় মৃত্যু হল ১৯ জনের। এই ঘটনায় আতঙ্ক বেড়েছে। অসুস্থ বেশ কয়েক জন। হাসপাতালে চিকিৎসা চলছে তাঁদের। এই ঘটনায় জড়িত সন্দেহে ১৯ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে।
সংবাদসংস্থা পিটিআই জানিয়েছে, মোকোকচুং জেলায় আট জনের মৃত্যু হয়েছে। অন্য দিকে, ১১ জনের মৃত্যু হয়েছে তুয়েনসাং জেলায়। ইতিমধ্যেই এই ঘটনার তদন্তে সিট গঠন করা হয়েছে। নেতৃত্বে রয়েছেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার পদমর্যাদার আধিকারিক। উল্লেখ্য, ১৯৮৯ সালে রাজ্যে মদ নিষিদ্ধ করার আইন আনা হলেও নিষেধাজ্ঞা কার্যকর হয় ১৯৯০ সালের এপ্রিল থেকে। তার পরেও কী ভাবে রাজ্যে মদের চোরাচালান হচ্ছে, কোথা থেকে হচ্ছে, ১৯ জনের মৃত্যুর ঘটনার পর সেই সূত্র খুঁজতে তৎপর হয়েছে পুলিশ।
পুলিশ সূত্রে খবর, অভিযান চালিয়ে প্রায় ৩০০০ হাজার মদের বোতল বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে। মদের নমুনা পাঠানো হয়েছে গুয়াহাটির ফরেনসিক গবেষণাগারে। তদন্তকারী এক আধিকারিক জানিয়েছেন, ওই রিপোর্ট হাতে এলেই মৃত্যুর কারণ স্পষ্ট হবে। তিনি বলেন, ‘‘কোথা থেকে মদের সরবরাহ হচ্ছে, তার একটা হদিস পাওয়া গিয়েছে। তবে এখনও এ বিষয়ে খোলসা করতে চাইছি না।’’
দুই জেলার দু’দিনে পর পর মৃত্যুর ঘটনায় আতঙ্ক ছড়িয়েছে। বেশ কয়েকটি দল গঠন করে বেআইনি মদ বাজেয়াপ্ত করতে অভিযান চালাচ্ছে পুলিশ। পাশাপাশি, মদ খাওয়া থেকে বিরত থাকতেও পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে। স্থানীয় সূত্রের খবর, মদ খাওয়ার পরই অনেকের মাথা ঘোরা, বমি, শ্বাসকষ্টের মতো উপসর্গ দেখা দিয়েছিল। অনেকে আবার জ্ঞানও হারান।