Advertisement
E-Paper

নিট-কাণ্ডে শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগ চেয়ে সংসদ চত্বরে বিক্ষোভ, স্লোগান বিরোধীদের, পাল্টা বিক্ষোভে এনডিএ সাংসদেরাও

বিরোধী সাংসদদের হাতে ধরা প্ল্যাকার্ডে শিক্ষামন্ত্রীর ইস্তফা দাবি করা হয়। অন্য দিকে, এনডিএ সাংসদদের জমায়েত থেকে স্লোগান ওঠে, “যুবসমাজকে ঘাঁটিও না, রাহুল গাঁধী জেগে ওঠো।”

আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক

শেষ আপডেট: ২৩ জুলাই ২০২৬ ১২:৩০
বিরোধী সাংসদদের বিক্ষোভে সনিয়া গাঁধী, প্রিয়ঙ্কা গাঁধী বঢরা। বৃহস্পতিবার সংসদ চত্বরে।

বিরোধী সাংসদদের বিক্ষোভে সনিয়া গাঁধী, প্রিয়ঙ্কা গাঁধী বঢরা। বৃহস্পতিবার সংসদ চত্বরে। ছবি: পিটিআই।

নিট-বিক্ষোভের আঁচে ফের উত্তাল দিল্লি। বৃহস্পতিবারও এ নিয়ে উত্তপ্ত রইল সংসদ চত্বর। কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের ইস্তফার দাবিতে সকালে সংসদের মকর দ্বারের সামনে বিক্ষোভ দেখাচ্ছিলেন বিরোধী সাংসদেরা। পাল্টা বিক্ষোভ দেখান এনডিএ-র সাংসদেরাও। তাঁদের অভিযোগ, রাজনৈতিক স্বার্থে দেশের যুবসমাজকে প্ররোচিত করছেন রাহুল গাঁধী।

বিরোধী সাংসদদের বিক্ষোভে রাহুল ছাড়াও শামিল হয়েছিলেন সনিয়া গাঁধী, প্রিয়ঙ্কা গাঁধী। গোটা বাদল অধিবেশনের জন্য নিলম্বিত (সাসপেন্ড) হলেও বিরোধী বিক্ষোভে দেখা যায় তৃণমূল সাংসদ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়কেও। এরই মধ্যে, তিনি এনসিপিআই-এ মিশে যাওয়া তৃণমূলের ২০ জন সাংসদকে কটাক্ষ করে স্লোগান দেন, “বিজেপির সঙ্গে সংসদে ২০ গদ্দার রয়েছে।”

বিরোধী সাংসদদের জমায়েত থেকে স্লোগান ওঠে “জীবন বাঁচাও, নিট বন্ধ করো।” বিরোধী সাংসদদের হাতে ধরা প্ল্যাকার্ডে শিক্ষামন্ত্রীর ইস্তফা দাবি করা হয়। অন্য দিকে, এনডিএ সাংসদদের জমায়েত থেকে স্লোগান ওঠে, “যুবসমাজকে ঘাঁটিও না, রাহুল গাঁধী জেগে ওঠো।”

একটা সময় দু’পক্ষের স্লোগানযুদ্ধে সরগরম হয়ে ওঠে সংসদ চত্বর। মুখোমুখি চলে আসেন শাসক এবং বিরোধী সাংসদেরা। সিপিএম সাংসদ জন ব্রিটাস বিজেপি নেতা অরুণ সিংহের হাত থেকে একটি পোস্টার কেড়ে নেওয়ার চেষ্টা করেন। তার পর পরিস্থিতি আরও জটিল হয়। শেষমেশ দু’পক্ষের মাঝে মানববন্ধনী করে দাঁড়িয়ে পড়েন সংসদের নিরাপত্তারক্ষীরা। তার পরেও স্লোগানযুদ্ধ চলতে থাকে।

বিজেপির অভিযোগ, নিট-কাণ্ড নিয়ে সংসদে আলোচনা করতে রাজি সরকার। কিন্তু কংগ্রেস আলোচনায় যোগ না-দিয়ে সংসদের সময় নষ্ট করছে। কংগ্রেসের পাল্টা দাবি, প্রধানমন্ত্রীর বিতর্কে যোগ দেওয়ার সাহস নেই।

ডাক্তারির প্রবেশিকা পরীক্ষা নিট-এর প্রশ্নপত্র ফাঁস এবং শিক্ষায় অব্যবস্থার প্রতিবাদে ছাত্র-যুবরা ধারাবাহিক বিক্ষোভ দেখাচ্ছেন দিল্লির যন্তর মন্তরে। শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগের দাবি তুলেছেন তাঁরা। এই পরিস্থিতিতে সমাজমাধ্যমে একটি পোস্ট করে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী লেখেন, “প্রশ্নফাঁসের ঘটনায় জড়িতদের বিরুদ্ধে দ্রুত পদক্ষেপ করা হবে। তাঁদের কঠোর শাস্তি নিশ্চিত করা হবে। সেই লক্ষ্যে আমরা ‘ফাস্ট-ট্র্যাক কোর্ট’ গঠনের সিদ্ধান্ত নিয়েছি। এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় সব পদক্ষেপ গ্রহণের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ এবং আধিকারিকদের নির্দেশও দেওয়া হয়েছে।” তবে, ককরোচ জনতা পার্টি (সিজেপি)-র তরফে মোদীর বক্তব্য পুনরায় পোস্ট করে লেখা হয়েছে, ‘‘শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানকে ইস্তফা দিতে হবে।’’

মোদীর পোস্টের পর বিরোধী দলনেতা রাহুল গাঁধী লেখেন, ‘‘আপনিই আমাদের দেশের যুবসমাজের ভবিষ্যতের সবচেয়ে বেশি ক্ষতি করেছেন। আপনি আমাদের শিক্ষাব্যবস্থাকে সম্পূর্ণ ভাবে দখল এবং ধ্বংস হতে দিয়েছেন। এর জন্য দায়ীদের রক্ষা করেছেন এবং প্রশ্রয় দিয়েছেন।’’

Cockroach Janata Party parliament

সঠিক খবর পেতে গুগ্‌লে বেছে নিন আনন্দবাজার ডট কম

ফলো করুন আমাদের মাধ্যমগুলি

Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy