Advertisement
E-Paper

অসমে কিশোরীকে ধর্ষণ-খুনকাণ্ডে গ্রেফতার দুই, ধরা পড়ল এক নাবালকও! অভিযুক্তেরা সকলেই নির্যাতিতার পরিচিত, অনুমান তদন্তে

ধৃতদের বিরুদ্ধে ধর্ষণ এবং খুনের ধারায় মামলা রুজু করেছে পুলিশ। পরবর্তী সময়ে আরও ধারা যুক্ত করা হতে পারে বলে জানাচ্ছেন তদন্তকারীরা।

আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক

শেষ আপডেট: ০৪ অগস্ট ২০২৬ ১০:১৭
এই ধরনের খবরের ক্ষেত্রে আসল ছবি প্রকাশে আইনি নিষেধাজ্ঞা থাকে।

এই ধরনের খবরের ক্ষেত্রে আসল ছবি প্রকাশে আইনি নিষেধাজ্ঞা থাকে। —প্রতিনিধিত্বমূলক চিত্র।

অসমে ১৫ বছরের কিশোরীকে ধর্ষণ-খুনের মামলায় দু’জনকে গ্রেফতার করল পুলিশ। ধরা হয়েছে এক নাবালককেও। ধৃত তিন জনের বয়স ১৭ থেকে ১৯ বছরের মধ্যে। সূত্রের খবর, ধৃতদের মধ্যে এক জনের সঙ্গে সম্পর্ক ছিল কিশোরীর।

অসমের হাইলাকান্দি জেলার ওই ঘটনায় শোরগোল পড়ে গিয়েছে এলাকায়। ঘটনার প্রতিবাদে রাস্তা অবরোধ করে বিক্ষোভ হয়েছে। এই উত্তেজনার মাঝে প্রথমে পাঁচ জনকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করে পুলিশ। পরে তাঁদের মধ্যে দু’জনকে গ্রেফতার করা হয়। পাকড়াও করা হয় এক নাবালককেও। ধৃত নাবালকের বয়স সাড়ে ১৭ বছর।

হাইলাকান্দির সিনিয়র পুলিশ সুপার অমিতাভ সিংহ বলেন, “ধৃতদের মধ্যে এক জনের বয়স সাড়ে ১৭ বছর। কিন্তু মামলার নৃশংসতার কথা বিবেচনা করা আমরা ওই ধৃতকে প্রাপ্তবয়স্ক হিসেবে গণ্য করার আবেদন জানিয়েছি আদালতে।”

নিহত কিশোরীর বাড়ি হাইলাকান্দির কাটিলচেরা থানা এলাকায়। শনিবার রাতে পরিবারের লোকজনের সঙ্গে একটি অনুষ্ঠানে যোগ দিতে গিয়েছিল সে। সেখানে এক আত্মীয়ের সঙ্গে তার বচসা হয়। বাকিদের রেখে কিশোরী নিজেই তার পর বাড়ি চলে এসেছিল। রাত ১১টা নাগাদ বাড়ি ফিরে পরিবারের সদস্যেরা তার দেহ পড়ে থাকতে দেখেন। দেহ, মুখ এতটাই বিকৃত ছিল যে, তাকে চেনা যাচ্ছিল না। পরিবারের অভিযোগ, কিশোরীকে ধর্ষণ করে খুন করা হয়েছে।

ঘটনায় অভিযুক্তদের সর্বোচ্চ সাজার দাবি জানান নিহতের মা। তাঁর কথায়, “কেউ কী ভাবে একটা ছোট মেয়ের সঙ্গে এমন নৃশংস আচরণ করতে পারে!”

হাইলাকান্দির অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সমীরদর্পণ বরুয়া জানান, তিন অভিযুক্তের বিরুদ্ধে ভারতীয় ন্যায় সংহিতার ৬৫ (১) ধারায় (১৬ বছরের কম বয়সিকে ধর্ষণ), ১০৩ (১) ধারা (খুন) এবং পকসো আইনে মামলা রুজু হয়েছে। তবে তদন্তের অগ্রগতির সঙ্গে সঙ্গে আরও ধারা যুক্ত হতে পারে বলে জানিয়েছেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার।

ধৃতদের মোবাইল বাজেয়াপ্ত করে তাঁদের জেরা শুরু করেছেন তদন্তকারীরা। সিনিয়র পুলিশ সুপার অমিতাভ জানান, খুনের উদ্দেশ্য এখনও স্পষ্ট নয়। তবে প্রাথমিক ভাবে জানা গিয়েছে অভিযুক্তেরা নির্যাতিতার পূর্বপরিচিত ছিলেন। নিহতের বাড়ির বিভিন্ন তথ্যও ছিল অভিযুক্তদের কাছে। সিনিয়র পুলিশ সুপারের কথায়, “অভিযুক্তেরা তার বাড়ি চিনত। কিশোরীর সঙ্গে অভিযুক্তদের যোগাযোগ ছিল। তবে আমরা এখনই কোনও সিদ্ধান্তে আসতে পারছি না।”

Assam

সঠিক খবর পেতে গুগ্‌লে বেছে নিন আনন্দবাজার ডট কম

ফলো করুন আমাদের মাধ্যমগুলি

Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy