সংযুক্ত আরব আমিরশাহিতে বিয়ে। স্বামী ভারতীয়। স্ত্রী পাকিস্তানি। চার সন্তানের মধ্যে তিন জন ভারতীয়, এক জন পাকিস্তানি। স্ত্রী-পুত্রের ভুয়ো নথিপত্র বানিয়ে দম্পতি একসঙ্গেই থাকছিলেন কর্নাটকে। সম্প্রতি পুলিশের এক অভিযানে বিষয়টি প্রকাশ্যে আসে।
পাকিস্তানি মা এবং সন্তানকে গ্রেফতারও করা হয়েছে। তাঁদের কাছ থেকে জাল রেশন কার্ড পাওয়া গিয়েছে বলে অভিযোগ। মিলেছে ভুয়ো ভোটার কার্ডও। তদন্তকারীদের অনুমান, প্রকৃত পরিচয় গোপন করতেই ভুয়ো নথিপত্র বানিয়েছিলেন তাঁরা।
ধৃতদের নাম ফারাহ নাজ় এবং তাঁর পুত্র মহম্মদ ফরদীন। ফারাহের স্বামী ভারতীয়। নাম মহম্মদ আয়ুব খান। দম্পতির চার সন্তান রয়েছে। তাঁদের মধ্যে ফরদীনের জন্ম হয় পাকিস্তানে। বাকিদের জন্ম এ দেশেই। পরিচয় গোপন করে কর্নাটকের চিকাবল্লপুরা জেলায় স্বামীর সঙ্গেই এত দিন সংসার করছিলেন পাকিস্তানি ওই মহিলা। পরিবারে দু’দেশেরই নাগরিক রয়েছেন। স্বামী এবং তিন সন্তান ভারতীয়। অন্য দিকে, স্ত্রী এবং এক সন্তান পাকিস্তানি।
আরও পড়ুন:
চিক্কাবল্লপুরার পুলিশ সুপার কুশল চোকসি জানান, ধৃত মহিলার স্বামী আয়ুব আগে সংযুক্ত আরব আমিরশাহিতে কাজ করতেন। সেখানেই ফারাজ়-র সঙ্গে বিয়ে হয় তাঁর। এক বিবৃতিতে পুলিশ জানায়, ফারাহ এবং তাঁর পুত্র ভুয়ো রেশন কার্ড এবং ভোটার কার্ড বানিয়েছেন বলে গোপন সূত্রে পুলিশের কাছে খবর যায়। সেই সূত্র ধরেই অভিযান চলে।
পুলিশ সুপার জানান, তাঁদের কাছ থেকে পাওয়া ভোটার পরিচয়পত্র ইতিমধ্যে বাতিল করা হয়েছে। রেশন কার্ডের বিষয়েও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করে চিকাবল্লাপুরা জেলার পুলিশ। আধিকারিকেরা নথিপত্র খতিয়ে দেখার পর ওই রেশন কার্ডও বাতিল করে দেন। আধিকারিকদের দাবি, নাগরিকত্ব সংক্রান্ত তথ্য গোপন করে ওই রেশন কার্ড সংগ্রহ করা হয়েছিল। ধৃত মা এবং পুত্রের বিরুদ্ধে আইনের যথাযথ ধারায় মামলা রুজু করা হয়েছে। পুলিশ সুপার জানিয়েছেন, ঘটনার তদন্ত এখনও চলছে।