Advertisement
E-Paper

ভোপালের ত্বিশা-মৃত্যুর ছায়া দিল্লিতে! প্রতিরক্ষা মন্ত্রকে কর্মরত অন্তঃসত্ত্বা মহিলার ঝুলন্ত দেহ উদ্ধার, কাঠগড়ায় শ্বশুরবাড়ি

গত শুক্রবার দিল্লির দ্বারকায় ৩০ বছর বয়সি নাজিয়া খানমের দেহ উদ্ধার হয়। মৃতার বাবার অভিযোগ, বিয়ের পর থেকেই শ্বশুরবাড়িতে মানসিক এবং শারীরিক নির্যাতনের শিকার হতেন তাঁর কন্যা।

আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক

শেষ আপডেট: ২৩ অগস্ট ২০২৬ ১৪:৫৫
Pregnant government official found in her resident

মৃতা নাজিয়া খানম। ছবি: সংগৃহীত।

প্রতিরক্ষা মন্ত্রকে কর্মরত এক মহিলার ঝুলন্ত দেহ উদ্ধারকে কেন্দ্র করে চাঞ্চল্য ছড়াল দিল্লিতে। ওই মহিলা তিন মাসের অন্তঃসত্ত্বা ছিলেন। মৃতার বাবার অভিযোগ, স্বামী এবং শ্বশুরবাড়ির সদস্যেরা প্রায় সব সময়ই তাঁর কন্যার সঙ্গে দুর্ব্যবহার করতেন। শারীরিক নির্যাতনের অভিযোগও তুলেছেন। যদিও মৃতার স্বামীর দাবি, তাঁর স্ত্রী আত্মঘাতী হয়েছেন।

গত শুক্রবার দিল্লির দ্বারকায় ৩০ বছর বয়সি নাজিয়া খানমের দেহ উদ্ধার হয়। চলতি বছরের ১১ এপ্রিল আজম আলির সঙ্গে তাঁর বিয়ে হয়। মৃতার বাবা তওয়াব খানের অভিযোগ, বিয়ের পর থেকেই শ্বশুরবাড়িতে মানসিক এবং শারীরিক নির্যাতনের শিকার হতেন তাঁর কন্যা। প্রায়ই বাড়ি থেকে তাড়িয়ে দেওয়া বা খুনের হুমকিও দেওয়া হত। তওয়াবের আরও অভিযোগ, নাজিয়া ফোনে সব সময়ই অত্যাচারের কথা বলতেন। অন্তঃসত্ত্বা হওয়ার পরেও নাজিয়ার প্রতি ব্যবহার পাল্টাননি তাঁর শ্বশুরবাড়ির লোকেরা। পণের দাবিতে কি নির্যাতনের শিকার হতেন ওই মহিলা, প্রশ্ন উঠছে। যদিও দিল্লি পুলিশ জানিয়েছে, এসডিএমের কাছে অভিযোগকারীর যে বয়ান রেকর্ড করা হয়েছে, সেখানে পণের কথা ছিল না।

যদিও আজম জানান, নাজিয়ার সঙ্গে অশান্তি হয়েছিল। তার পরে হঠাৎই নাজিয়া তাঁকে ঘর থেকে বেরিয়ে দরজা বাইরে থেকে বন্ধ করে দেন। ঘরের ভিতর থেকে চিৎকার করে ডাকতে থাকেন আজম। পরে বাড়িওয়ালাকে ফোন করে ডাকেন তিনি। বাড়িওয়ালা এসে মই দিয়ে কোনওক্রমে নামান আজমকে। সঙ্গে সঙ্গে তিনি বাড়িতে ঢুকে অন্য ঘরের জানলা দিয়ে উঁকি মেরে দেখেন তাঁর স্ত্রী সিলিং থেকে ঝুলছেন। খবর দেন পুলিশকে।

তওয়াবের অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ। দিল্লি পুলিশ জানিয়েছে, এই মামলায় নির্দিষ্ট ধারায় এফআইআর দায়ের হয়েছে। যদিও এখনও এই মামলায় কাউকে গ্রেফতার করেনি।

নাজিয়ার ঘটনা উস্কে দিল ভোপালের ত্বিশা শর্মার মৃত্যুর ঘটনাকে। গত ১২ মে ভোপালে শ্বশুরবাড়িতে ত্বিশার দেহ উদ্ধার হয়েছিল। চার-ছয় মাস আগে সমর্থ সিংহের সঙ্গে বিয়ে হয়েছিল ৩৩ বছরের তরুণীর। মৃতার পরিবারের অভিযোগ ছিল, তাঁদের কন্যাকে মানসিক এবং শারীরিক নির্যাতন করা হয়েছিল। নিজেদের ক্ষমতা প্রয়োগ করে প্রমাণ লোপাটের চেষ্টা করেছিলেন শ্বশুরবাড়ির লোকজন। সেই অভিযোগ জানিয়ে তাঁরা এফআইআর করেছিলেন। ২২ মে জবলপুর থেকে গ্রেফতার করে সমর্থকে ভোপালে নিয়ে আসা হয়। পরে গ্রেফতার হন ত্বিশার শাশুড়ি গিরিবালা সিংহও। গিরিবালা ছিলেন অবসরপ্রাপ্ত বিচারক। অভিযোগ ওঠে, তদন্তে প্রভাব খাটাচ্ছেন। পরে এই মামলার তদন্তভার যায় সিবিআইয়ের হাতে।

Suicide Delhi

সঠিক খবর পেতে গুগ্‌লে বেছে নিন আনন্দবাজার ডট কম

ফলো করুন আমাদের মাধ্যমগুলি

Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy